সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় যাতায়াতের জন্য আজো গড়ে ওঠেনি ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা। চলনবিল অধ্যুষিত উপজেলাটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ২৫ হাজার ৯৭৪ হেক্টর জমির ওপর ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ উপজেলা। ২০১১ সালের তথ্য অনুযায়ী এ উপজেলার তিন লাখ ২০ হাজার মানুষের চলাচলের জন্য একমাত্র সড়কটি হলো ভুঁইয়াগাতি থেকে ধানগড়া পর্যন্ত। এ সড়ক দিয়ে উপজেলা পরিষদ ও হাসপাতালে যাতায়াত করতে হয়।
কিন্তু রাস্তাটি এতটাই সরু যে বেশির ভাগ সময় যানজট লেগে থাকে এবং ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটে। আর এই রাস্তা দিয়েই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয় সাধারণ মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও অসুস্থ রোগীদেরকে। রাস্তাটির এমন বেহাল দশা থাকলেও স্থানীয় এলজিইডি ও উপজেলা প্রশাসনের নজরে পড়ে না।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা হাইওয়ে সড়কের ভুঁইয়াগাতি বাজার থেকে ধানগড়া উপজেলা পরিষদ পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটারের এ সড়ক পথে উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন নলকা, ঘুড়কা, ধুবিল, সোনাখাড়া ও ধানগড়া ইউনিয়নের প্রায় দুই লাখ মানুষের যাতায়াত। সড়কটি এতটাই সরু যে উপজেলার সরকারি দফতর-স্কুল, কলেজের ছাত্র-ছাত্রী ও হাসপাতালে রোগীদের যাওয়া-আসায় মারাত্মক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। পাশাপাশি দুইটি অটোভ্যান চলাচল করলে উভয় গাড়িকে সড়কের দুই পাশে কাত হয়ে যেতে হয়। কোনো বাস বা ট্রাক পাশাপাশি ক্রস করতে পারে না।
রায়গঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ জানান, সড়কটির এস্টিমেট পেয়েছি। রায়গঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ হাসান খান বলেন, সংশ্লিষ্ট দফতরে যোগাযোগ করে যতটা সম্ভব দ্রুত সড়কটি সংস্কারে পদক্ষেপ নিতে হবে।
রায়গঞ্জে সরু রাস্তায় ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় যাতায়াতের জন্য আজো গড়ে ওঠেনি ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা। চলনবিল অধ্যুষিত উপজেলাটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ২৫ হাজার ৯৭৪ হেক্টর জমির ওপর ৯টি...



