ফসলের মাঠে ছেয়ে গেছে হলুদ ফুলের সমারোহ। সেই ফুলের পাপড়িতে দুলছে কৃষকের রঙিন স্বপ্ন। উত্তরবঙ্গের শস্যভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলা। এখানকার কৃষকেরা আমন ধান কাটা পর বাড়তি লাভের আশায় আবাদ করেছেন সরিষার। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় সরিষার ফলন ভালো হয়নি। তার সাথে চাষের জন্য প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ ও শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় সরিষার উৎপাদন খরচ বেড়েছে। কিন্তু হাটবাজারে সরিষার দাম কম থাকায় ঠিকমতো উৎপাদন খরচ উঠছে না কৃষকদের। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে উপজেলার প্রান্তিক চাষিরা।
উপজেলায় ১০ হাজার ৮৯০ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ করেছে ৫৯ হাজার ২৬১ জন প্রান্তিক চাষি। চলতি মৌসুমে ১৫ হাজার ৭৯০ টন সরিষা উৎপাদন হবে বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি অফিস। গত বছরের চেয়ে এ বছর প্রতি মণ সরিষায় এক হাজার ৫০০ থেকে দুই হাজার টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি মণ সরিষার উৎপাদনে খরচ প্রায় তিন হাজার টাকা। বর্তমানে বাজারে প্রতি মণ সরিষা বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ৮০০ থেকে দুই হাজার ৩০০ টাকায়। ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে প্রতি মণ সরিষায় এক হাজার টাকা লোকসান দিয়ে বিক্রি করতে হচ্ছে কৃষকদের।
রায়গঞ্জ উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা আবদুর রউফ বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো কৃষকের ফলন বৃদ্ধি করা, বাজার নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের হাতে নেই।