বরিশালের উজিরপুরে শখের বশে বারি-১১ জাতের আম চাষ করে এখন স্বাবলম্বী হারুন বেপারী। দেড় বিঘা জমিতে বিভিন্ন জাতের আম বিশেষ করে ল্যাংড়া, হিমসাগর, আম্রপালি, বারি-৪ ও বারি-১১ জাতের আম চাষ করে তিনি সবাইকে চমকে দিয়েছেন। হারুন বেপারী জানান, বারি-১১ জাতের আমগাছ থেকে বছরে তিনবার ফলন পান তিনি।
উপজেলার হারতা ইউনিয়নের দক্ষিণ হারতা গ্রামের হারুন বেপারীর বাগানে সরেজমিনে দেখা যায়, তার বাগানে একদিকে আমের মুকুল, অন্যদিকে গাছের ডালে ডালে ছোট, বড় ও মাঝারি আকারের আম ঝুলে আছে। তিনি দেড় বিঘা জমিতে ছয় জাতের আমের গাছ লাগিয়েছেন। প্রথম বছর থেকেই প্রচুর ফলন পাচ্ছেন তিনি। বাজার দরও ভালো পাচ্ছেন। সব মিলিয়ে আম বিক্রি করেই তার চার লাখ টাকার বেশি লাভ হবে বলে আশা করছেন তিনি।
হারুন বেপারী নয়া দিগন্তকে বলেন, এ বছর তিনি প্রায় পাঁচ শ’ মণ বারি-১১ জাতের আম পাবেন বলে আশা করছেন। তিনি বলেন, এখন আমের মুকুলের মৌসুম কিন্তু তার বাগানের আমগাছ থেকে ইতোমধ্যে কয়েক দফায় আম বিক্রি করেছেন।
তিনি জানান, দূর-দূরান্ত থেকে দর্শানার্থীরা তার আমের বাগান দেখতে আসেন। তাকে সাফল্য দেখে অনেকেই আমের বাগান করতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন। তার আম বাগান দেখতে আসা শফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, আম চাষের আগ্রহ নিয়ে বাগান দেখতে এসেছি। তার বাগান দেখে খুবই ভালো লাগছে।
উজিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কপিল বিশ্বাস বলেন, হারুন বেপারী আমাদের সাথে যোগাযোগ করলে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। বারি-১১ জাতের আম সম্পর্কে তিনি বলেন, এই জাতের আমের স্বাদ ভালো। অসময়ে এই আম বাজারে আসায় চাষিরাও ভালো দাম পান। নতুন কেউ বাগান করার পরিকল্পনা করলে কৃষি বিভাগ থেকে সহযোগিতা করা হবে। এ আম গাছ বাসার ছাদেও লাগানো যায়।
উজিরপুরে শখের বশে আম চাষ করে স্বাবলম্বী হারুন
বরিশালের উজিরপুরে শখের বশে বারি-১১ জাতের আম চাষ করে এখন স্বাবলম্বী হারুন বেপারী। দেড় বিঘা জমিতে বিভিন্ন জাতের আম বিশেষ করে ল্যাংড়া, হিমসাগর, আম্রপালি, বারি-৪...



