চলতি মৌসুমে পিরোজপুরের মোট আবাদি জমির প্রায় ৪৫ শতাংশ অনাবাদি রয়ে গেছে। কৃষকরা জানান, অস্বাভাবিক হারে শ্রমিক মজুরি ও কৃষি উপকরণের মূল্যবৃদ্ধির কারণেই হেক্টরের পর হেক্টর জমি পতিত পড়ে আছে। তবে রবিশস্য উৎপাদনের মাধ্যমে এ ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার পরামর্শ কৃষি বিভাগের।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পিরোজপুর জেলার সাতটি উপজেলায় আবাদি জমির পরিমাণ প্রায় ৮৬ হাজার হেক্টর। এসব জমিতে আউশ, আমন ও বোরো মৌসুমে ধান আবাদ হয়ে থাকে। এর অধিকাংশই দ্বি-ফসলি জমি। কোনটি আবার দুই ফসলের মধ্যে শীতকালীন সবজিও চাষ হয়ে থাকে। সম্প্রতি শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, সার ও কীটনাশকের দাম বাড়া, উৎপাদিত ফসলের যথাযথ মূল্য না পাওয়া এবং পর্যাপ্ত পাওয়ার ট্রিলারের অভাব থাকায় এসব আবাদি জমির প্রায় ৩৯ হাজার হেক্টর জমিই থেকে যাচ্ছে অনাবাদি। এসব জমিতে কোনো ফসল উৎপাদিত না হওয়ায় খাদ্য উৎপাদনে যেমন সৃষ্টি হচ্ছে প্রতিবন্ধকতা, তেমনি দেশ বঞ্চিত হচ্ছে খাদ্যশস্য থেকে।
পিরোজপুরের কৃষক গফফার মিয়া বলেন, প্রতি বছরে লোকসান হওয়ায় এখন আর কৃষি কাজ করতে মন চায় না। তাই ২০ বিঘা জমি ফেলে রেখেছি। যেভাবে সার, ওষুধ ও শ্রমিকের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে সেভাবে ধানের দাম না পাওয়ায় জমি ফেলে রেখেছি। আর যাই হোক পরিশ্রম করে লোকসান তো আর হবে না।
পিরোজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক ড. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম সিকদার জানান, উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় ধান উৎপাদনে কৃষকের তেমন লাভ হচ্ছে না। কিন্তু কৃষকরাও শিগগিরই এ থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না। তবে রবিশস্য উৎপাদনের মাধ্যমে এ ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার পরামর্শ কৃষি বিভাগের। অচিরেই এ সমস্যার সমাধান হবে বলেও জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। পিরোজপুর জেলায় আবাদি জমির পরিমাণ প্রায় ৮৬ হাজার হেক্টর। এর মধ্যে ৩৯ হাজার হেক্টর জমিই এ মৌসুমে অনাবাদি রয়েছে।
কৃষি উপকরণের উচ্চমূল্য
পিরোজপুরে অনাবাদি পড়ে আছে ৪৫ শতাংশ জমি
চলতি মৌসুমে পিরোজপুরের মোট আবাদি জমির প্রায় ৪৫ শতাংশ অনাবাদি রয়ে গেছে। কৃষকরা জানান, অস্বাভাবিক হারে শ্রমিক মজুরি ও কৃষি উপকরণের মূল্যবৃদ্ধির কারণেই হেক্টরের পর...



