ময়মনসিংহের ভালুকার উথুরা ইউনিয়নের কৈয়াদী গ্রামে প্রতিবেশীদের মারধরে আহত অটোচালক শাহাদত হোসেন দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার পরও সুস্থ না হওয়ায় আয় রোজগাড় প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এতে তার পরিবারে অভাব অনটন নেমে এসেছে। মানসিক প্রতিবন্ধী দুই ভাই ও স্ত্রী সন্তান নিয়ে অর্থ কষ্টে খেয়ে না খেয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন তার পরিবারের সদস্যরা।
গত বুধবার কৈয়াদী গ্রামে গেলে শাহাদতের পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, শাহাদত আটো চালিয়ে তার প্রতিবন্ধী দুই ভাই আশারফ হোসেন ও মোশারফ হোসেন এবং স্ত্রী নার্গিস, দুই ছেলে মাসুম ও আকাশ, মেয়ে মরিয়মসহ সাতজনের অন্ন-বস্ত্রের সংস্থান করতেন। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ১৬ জানুয়ারি প্রতিবেশী আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে বছির মিয়া ও তার সহযোগীরা কৈয়াদী চৌরাস্তার একটি চা দোকানের সামনে শাহাদতকে মারধর করে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। ৯ দিন ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরেন। পরিবারের লোকজনের খাবার ও অসুস্থ স্বামীর ওষুধ কেনার টাকা যোগাতে আত্মীয়স্বজনের দ্বারস্থ হয়েছেন নার্গিস আক্তার।
নার্গিস জানান, তার স্বামী অটো চালিয়ে প্রতি দিন ৫০০-৬০০ টাকা উপার্জন করতেন। যা দিয়ে তাদের মুখে খাবার জুটতো। বছির ও তার সহযোগীরা মারধর করে তার স্বামীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে পঙ্গু করে ফেলেছে।
এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পায়া যায়নি।
স্থানীয় নাজিম উদ্দীন জানান, এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার হওয়া প্রয়োজন। একই এলাকার সিয়াম ও বিল্লাল হোসেন জানান, বছির নেশা করে প্রায়ই লোকজনকে মারধর করে।
উথুরা ইউনিয়নের কৈয়াদী ওয়ার্ড মেম্বার স্বপন মিয়া জানান, তিনি বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য একাধিকবার পরিষদে সালিস করার চেষ্টা করলেও এলাকায় নানা অপকর্মের সাথে জড়িত বছিরের অনুপস্থিতির কারণে ব্যর্থ হয়েছেন। বর্তমানে পরিবারটি খুবই অসহায় হয়ে পড়েছে।
সন্ত্রাসী হামলায় আহত
অটোচালক শাহাদত ও ২ প্রতিবন্ধী ভাইয়ের দিন চলে কষ্টে
ময়মনসিংহের ভালুকার উথুরা ইউনিয়নের কৈয়াদী গ্রামে প্রতিবেশীদের মারধরে আহত অটোচালক শাহাদত হোসেন দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার পরও সুস্থ না হওয়ায় আয় রোজগাড় প্রায় বন্ধ হয়ে...



