পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার উত্তর ভিটাবাড়িয়া আজাহারিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদরসার ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা। নতুন ভবন না থাকায় এসব পরিত্যক্ত ভবনে পাঠদানে আতঙ্কে রয়েছে তারা। ওই ভবনে ফাটল সৃষ্টি হয়েছে এবং ভবনটি হেলে পড়েছে। আর হেলে পড়া ভবনটি বাঁশ ও সুপারি গাছ দিয়ে ঠেকিয়ে রাখা হয়েছে। মাদরাসার সুপার এ কে এম আলাউদ্দিন বলেছেন, বারবার নতুন ভবনের জন্য আবেদন জানালেও কোনো আশ^াস মিলছে না।
মাদরাসাটি প্রায় দুই বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়। বিদ্যালয়ের পুরনো এ ভবনের প্রতিটি শ্রেণিকক্ষের বেহাল দশা। ভবনের কোথাও বড় ফাটল ধরে বেরিয়ে এসেছে রড। আবার কোথাও খসে পড়ছে পলেস্তারা। শিক্ষকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়েই পাঠদান করে আসছেন।
দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মরিয়াম আক্তার ইভা জানায়, ক্লাস করার সময়ে আমাদের মাথার ওপরে ইট, পাথর ও সিমেন্টের গুঁড়া পড়ে। এতে ভয় আর আতঙ্ক নিয়ে আমরা ক্লাস করছি।
মাদরসার সুপার এ কে এম আলাউদ্দিন বলেন, শ্রেণিকক্ষের পাশাপাশি আমাদের অফিস কক্ষের অবস্থাও জরাজীর্ণ। তাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কার্যক্রম চালাচ্ছেন শিক্ষকরা। শ্রেণিকক্ষ সঙ্কটে শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমে যাচ্ছে। নতুন ভবন নির্মাণ করা হলে আমাদের পাঠদানে গতি আরো বাড়বে। আমরা দ্রুত এর একটি সমাধান চাই।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম বলেন, ওই মাদরাসার এ অবস্থার কথা আমার জানা নেই। পরিদর্শন করে ঊর্ধ্বতন মহলকে অবহিত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান না করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। অনুমোদন পেলে পর্যায়ক্রমে নতুন ভবন নির্মাণ করে স্বাভাবিক কার্যক্রম চালানো হবে।