মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার জামির্ত্তা ইউনিয়নের মধুরচর গ্রামে কহেল মুন্সি (৬৫) হত্যায় সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ভাতিজা হ্নদয় মুন্সিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১২ মার্চ) নিহতের মেয়ে কবরী আক্তার থানায় এ মামলাটি করেন।

মামলার আসামিরা হলেন নিহতের ভাতিজা হ্নদয় মুন্সি (২৩), ভাই ইসলাম মুন্সি (৬৭), ভাবি কুলসুম (৫৫), ভাতিজি রোজিনা (৩৫), নাতনি কনা (১৯) ও একই গ্রামের জরিনা আক্তার (৩৫) এবং আলেয়া বেগমসহ (৫৫) অজ্ঞাত আরো দুই থেকে তিনজন।

মঙ্গলবার দুপুরে হ্নদয় মুন্সিকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিংগাইর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ মো: আবু হানিফ।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার হওয়া আসামি হত্যার দায় স্বীকার করেছে। তাকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, কহেল মুন্সির হত্যার ঘটনায় পুলিশ এজাহারভুক্ত আসামিদের তিন আত্নীয় খাদেম আলী, চায়না আক্তার ও মহসিনকে আটক করেন। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে জানান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: জিয়ারুল ইসলাম।

তিনি বলেন, এজাহারভূক্ত আসামিদের গ্রেফতারের জোর চেষ্টা অব্যাহত আছে।

উল্লেখ্য, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে রোববার (১০ মার্চ) দুপুরে দুই সহোদর ইসলাম মুন্সি ও কহেল মুন্সির পরিবারের মধ্যে ঝগড়া হয়। এতে বড় ভাই ইসলাম মুন্সির পরিবারের লোকজনের মারধরে ছোট ভাই কহেল মুন্সি তার স্ত্রী ও ছেলে মারাত্নক আহত হন। সোমবার ভোরে কহেল মুন্সি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।