মৌলভীবাজারের পাথারিয়া পাহাড়ের পাদদেশের দুই টিলার মাঝে রাস্তা সম্প্রসারণের সময় বেরিয়ে এলো পাথরের একটি বিরল শিলাখণ্ড। ধারণা করা হচ্ছে, দুই টিলাকে দাঁড়িয়ে রাখতে প্রকৃতিগতভাবে এ ধরনের শিলা বা পাথরের খুঁটি সৃষ্টি হয়েছে। এ রাস্তা সম্প্রসারণে ইতঃপূর্বে এ ধরনের একাধিক বস্তু কেটে ফেলা হয়েছে।
বড়লেখা উপজেলার বড়লেখা সদর ইউনিয়নের সাতকরাকান্দি ও ডিমাই গ্রামের বেশির ভাগ এলাকা পাথারিয়া পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। সাতকরাকান্দি-ডিমাই রাস্তার বেশির ভাগ স্থান উঁচু উঁচু টিলার মাঝ দিয়ে চলমান। স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার আব্দুল আউয়ালের নেতৃত্বে লোকজন প্রায় এক মাস ধরে এ রাস্তার মধ্যবর্তী স্থান বতাউরি, বেখিছড়া ও আনুর উটনি নামক স্থানের প্রাকৃতিক টিলা কেটে রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ করছেন। স্থানটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় হওয়ায় টিলা কাটার বিষয়টি লোকচক্ষুর আড়ালেই রয়ে গেছে। কোথাও দুই টিলাকে চাপ দিয়ে রাখা পাথরের খিল (খুঁটি) কেটে ফেলা হয়েছে।
সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, লোকজন অনেকটা উৎসব করেই টিলা কেটে রাস্তা প্রশস্ত করছেন। একটি স্থানের দুই টিলার মধ্যখান কাটতে গিয়ে বেরিয়ে আসা পাথরটি দেখতে লোকজন ভিড় করছেন। এ দিকে পাথরটির অংশবিশেষ কেটে ফেলায় উভয় পাশের টিলায় ফাটল দেখা দিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ ধরনের আরো তিনটি পাথর কেটে ফেলা হয়েছে। ওই স্থানগুলোরও উভয় পাশের টিলা ফেটে গেছে। যেকোনো সময় উঁচু টিলাগুলো ধসে পড়তে পারে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল আউয়াল জানান, লোকজনের যাতায়াত ও যানবাহন চলাচলের অসুবিধা হওয়ায় জনস্বার্থে এলাকাবাসীর চাঁদায় প্রায় এক মাস ধরে রাস্তাটির সম্প্রসারণকাজ চলছে। রাস্তা বড় করতে টিলা কাটায় কোনো সমস্যা হবে না। তার দাবি শত শত বছর ধরে এগুলো এভাবেই আছে।
ইউএনও নাজরাতুন নাঈম জানান, এতদিন বিষয়টি তার নজরে আসেনি, কেউ জানায়ওনি। পরিবেশ আইনে সবধরনের পাহাড়-টিলা কাটা সম্পুর্ণ নিষিদ্ধ। গত বুধবার টিলা কাটার একটি ছবি দেখেই তাৎক্ষণিক তিনি ভূমি কর্মকর্তাদের পাঠিয়ে কাজ বন্ধ করিয়েছেন। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান তিনি।
বড়লেখায় পাহাড় কেটে রাস্তা সম্প্রসারণে বেরিয়ে এলো বিরল শিলাখণ্ড
মৌলভীবাজারের পাথারিয়া পাহাড়ের পাদদেশের দুই টিলার মাঝে রাস্তা সম্প্রসারণের সময় বেরিয়ে এলো পাথরের একটি বিরল শিলাখণ্ড। ধারণা করা হচ্ছে, দুই টিলাকে দাঁড়িয়ে রাখতে প্রকৃতিগতভাবে এ...



