বরিশালের উজিরপুরে বাজারগুলোয় সামনে তদারকি পেছনে দফায় দফায় বেড়ে চলেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। কিন্তু দাম বাড়লেও আয় বাড়ছে না সাধারণ মানুষের। বাধ্য হয়ে অনেককেই কমাতে হচ্ছে দৈনন্দিন বাজার খরচ।
উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার সকল বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে ৫ থেকে ২০ টাকা। উপজেলার বাজার ঘুরে দেখা যায়, শিকারপুর বন্দর, ঈদগাঁহ মার্কেট, ডাবের কুল বাজার, ধামুরা সবজির বাজারে প্রতি কেজি টমেটো ৪০ টাকা, পটোল ৬০ টাকা, চিচিংগা ৬০ টাকা, গোলবেগুন ৮০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, কাঁচামরিচ ৮০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, বাঁধাকপি ১০০ টাকা, ফুলকপি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে এই দাম অনেক বেশি। অস্থির হয়ে আছে পেঁয়াজের বাজার। ৯০ টাকার নিচে পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে না। রসুন বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকায়। সয়াবিন তেল লিটার প্রতি ১৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা, লেয়ার মুরগি ৩৫০ টাকা ও ৪০০ কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে সোনালি মুরগি। খাসি ১২০০ টাকা ও গরুর গোশতের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ টাকায়।
ধামুরা বাজারের এক সবজি বিক্রেতা বলেন, আসলে আমাদের কিছু করার নেই। বেশি দামেই ক্রয় করতে হয়। একই বাজারের রিকশাচালক ইসমাইল বলেন, দাম বেশি। তাই তিন মাস ধরে মাছ খাই না। শিকারপুর বন্দরের এক ক্রেতা ইউসুফ বলেন, আমাদের সামর্থ্য ফুরিয়ে আসছে। প্রশাসনের তদারকি কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, শুনেছি যতক্ষণ তার বাজার মনিটরিং করেন। ততক্ষণের দাম কম থাকে।
উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, জনস্বার্থে আমাদের বাজার তদারকিমূলক অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অযথা কেউ মূল্য বৃদ্ধি করবে তা হবে না।