পাহাড়ের সবচেয়ে প্রাণঘাতী রোগের নাম ম্যালেরিয়া। এই রোগে প্রতি বছর শত শত মানুষ মারা যায়। আক্রান্ত হয় শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাই। স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, সারা দেশে যে পরিমাণ ম্যালেরিয়া রোগী রয়েছে তার ৬০ শতাংশই রয়েছে পার্বত্য জেলা বান্দরবানে। এবার এই ম্যালেরিয়া রোগ নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূলে টিকার ব্যবহার আনছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
চলতি বছরের শেষ দিকে পরীক্ষামূলকভাবে পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামা ও আলীকদম উপজেলার গ্রাম ও পাড়াগুলোতে এই টিকা প্রয়োগ করা হবে। টিকার পাশাপাশি দেয়া হবে ওষুধ। ২০৩০ সালের মধ্যে ম্যালেরিয়া শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যেই এ কার্যক্রম শুরু করছেন স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।
গত সোমবার বান্দরবান সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ম্যালেরিয়া নির্মূলে সমন্বিত স্বাস্থ্য গবেষণা ‘সবার জন্য টিকা সবার জন্য ওষুধ’ শীর্ষক এক অবহিতকরণ সভা ও সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সিভিল সার্জন ডাক্তার মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে এ সভায় বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য বিভাগের সাবেক মহাপরিচালক ও প্রধান গবেষক অধ্যাপক আবুল ফয়েজ। উপস্থিত ছিলেন গবেষক অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার, অধ্যাপক রাশেদা সামাদ, অধ্যাপক অনিরুদ্ধ ঘোষ, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী পরিচালক ডাক্তার অং চালু, কক্সবাজারের সাবেক সিভিল সার্জন ডাক্তার পুচনু মারমা, গবেষক ডাক্তার রুপম ত্রিপুরা প্রমুখ। তারা জানান বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় ম্যালেরিয়া নির্মূল কর্মসূচির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ডেভ কেয়ার ফাউন্ডেশন ও সংস্থা থাইল্যান্ডের মাহিদল অক্সফোর্ড রিসার্চ ইউনিটের সহযোগিতায় টিকা এবং ওষুধের কার্যকারিতা নির্ণয়ের জন্য লামা ও আলিকদম উপজেলায় একটি গবেষণামূলক কার্যক্রম চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ দু’টি উপজেলার ম্যালেরিয়া সংক্রামক রয়েছে এরকম ১০০টি পাড়া বা গ্রামে টিকা ও ওষুধের মাধ্যমে গবেষণা চালানো হবে। তবে টিকা কার্যক্রম পরিচালনার আগে ওসব এলাকার মানুষদের মধ্যে সচেতনামূলক কার্যক্রম চালানো হবে।
এবার ম্যালেরিয়া নির্মূলে আসছে টিকার প্রয়োগ
পাহাড়ের সবচেয়ে প্রাণঘাতী রোগের নাম ম্যালেরিয়া। এই রোগে প্রতি বছর শত শত মানুষ মারা যায়। আক্রান্ত হয় শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাই। স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, সারা...



