প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ত্রাণসহায়তা দিয়েছে কোটালীপাড়া উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।
রেমালের তাণ্ডবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এ অঞ্চলের কৃষক, মৎস্যজীবীসহ খেটেখাওয়া মানুষ। উপজেলার কান্দি, শুয়াগ্রাম ইউনিয়ন ও পৌরসভাসহ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা যায় এসব চিত্র। পানির তোড়ে ভেঙে গেছে সাতলা-বাগধা প্রকল্প বেড়িবাঁধের ৩ নং পোল্ডার (উজিরপুর শিবপুর)। হু হু করে ঢুকে পড়েছে বানের পানি।
রেমাল পরবর্তী ত্রাণসহায়তা নিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের সাথে দেখা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহিনুর আক্তার। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাশেদুর রহমান জানান, ঘূর্ণিঝড় রেমাল পরবর্তী প্রায় দুই শ’ পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণসহায়তা দেয়া হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।