মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল হক মিঠুর সাময়িক বরখাস্তের আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। ফলে তার চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালনে আর কোনো বাধা থাকল না।
মঙ্গলবার (৪ জুন) বিকেলে ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বভার পুনরায় বুঝে নেন তিনি।
মনিরুল হক মিঠু বলেন, সাময়িক বরখাস্তের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন তিনি। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চ শুনানি শেষে স্থানীয় সরকার বিভাগের সাময়িক বরখাস্তের আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ দেয় আদালত এবং রুল জারি করে।
এদিকে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউপি শাখা-১-এ আবেদন করেন মনিরুল হক মিঠু। তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ সংশ্লিষ্ট শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসককে নির্দেশনা দিয়ে পত্র জারি করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কোহিনুর আক্তার বলেছেন, জেলা প্রশাসন থেকে আমাদের চিঠি করে দেয়া হয়েছে। চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালনে তার আর কোনো বাধা নেই।
উল্লেখ্য, গত ৮ মে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পুলিশের ওপর হামলা এবং গাড়ি ভাঙচুর মামলার প্রধান আসামি হোসেন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল হক মিঠুকে সাময়িক বরখাস্ত করে মন্ত্রণালয়। গত ১৫ মে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউপি শাখা-১-এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা করে।



