ময়মনসিংহের ভালুকায় এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে বনবিভাগের চার কোটি টাকা মূল্যের জমি দখলে নিয়ে স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার কাদিগড় বনবিটের আওতায় অলাব গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
খোঁজ নিয়ে জান গেছে, উপজেলার সিডস্টোর লবণকোটা গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে রফিকুল ইসলাম ভালুকা রেঞ্জের অদিগড় বিটের আওতায় অদিগড় মৌজায় অলাব গ্রামের স্থানীয় কয়েকজনের কাছ থকে কিছু জমি ক্রয় করেন। পরে ওই জমির সাথে স্থানীয় রতনের ভিটায় বনবিভাগের প্রায় চার কোটি টাকা মূল্যের চার একর জমি দখলে নেন এবং বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা নির্মাণের কাজ চলমান
জমির দাবিদার রতন মিয়া জানান, পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত ওই জমি নিয়ে বনবিভাগের সাথে তাদের মামলা চলছে। কিন্তু রফিকুল ইসলাম পাসের ৩০৭ নম্বর সিএস দাগে কিছু নামা জমি ক্রয় করে তাদের বাড়িটি বাদ দিয়ে ২৫২ দাগের পুরোবিটাটি দখলে নিয়েছেন এবং বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করে চলেছেন।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, প্রভাবশালী রফিকুল বনবিভাগের কয়েক কোটি টাকা মূল্যের ওই জমি দখলে নিয়ে গত দেড় মাস ধরে স্থাপনা নির্মাণের কাজ চালালেও রহস্যজনক কারণে বনবিভাগের কোনো তৎপরতা চোখে পড়েনি।
অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম জানান, স্থানীয় মজিবর রহমান ও তার বোনদের কাছ থেকে ২০২২ সালে সাফ কবলা মূলে ৯৬ শতাংশ জমি কিনে তিনি স্থাপনা নির্মাণ করছেন। তখন সাবরেস্ট্রিার ইমরুল কায়েস ভালুকার দায়িত্বে ছিলেন।
ভালুম রেঞ্জের কাদিগড় বিট অফিসার আনোয়ার হোসেন খান জানান, ঝুদিগড় মৌজার মোট জমির পরিমাণ রয়েছে ২৬২ একর, যার পুরোটাই বনবিভাগের। রফিকুল ইসলামের দখলে নেয়া জমিতে স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ওই ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
ভালুকা রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ খান সংবাদ মাধ্যমকে জানান, অদিগড় মৌজার ২৫২ নম্বর দাগের পুরো জমিই বনবিজ্ঞপ্তিত। জমি দখলে নিয়ে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগে রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে।