এইচএসসি পরীক্ষার্থী রুহান আহমেদ পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন। অনেক কষ্ট করে ছেলের পড়ালেখার খরচ চালিয়েছি। ছেলেকে নিয়ে আমার অনেক আশা ছিল। আমার এখন আর কিছুই রইল না। এখন কী করুম? কী নিয়ে বাচুম? আমি ছেলে হত্যার বিচার চাই।
ছেলের শোকে আহাজারি করে কাঁদছিলেন নিহত রুহানের মা মনিরা বেগম। রুহান চাঁদপুর সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের কমলাপুর ৩ নং ওয়ার্ডের মিঠু খান বাড়ির ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সুলতান আহমেদ খানের ছেলে। তিনি ঢাকা দনিয়া কলেজের ২০২২-০২৩ শিক্ষাবর্ষের বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন।
গত শুক্রবার কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে চলা সংঘর্ষে ঢাকার যাত্রাবাড়ী শনির আখড়ায় জুমার নামাজের পর পুলিশের গুলিতে নিহত হন রুহান। রুহান অসম্ভব মেধাবী এবং স্কাউটের ভালো সংগঠক ছিলেন। রুহান ডাক্তার হতে চেয়েছিলেন। গত ২০ জুলাই চাঁদপুর সদরের বালিয়া কমলাপুর পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়।
নিহত রুহানের মা ও বাবার আহাজারি
এইচএসসি পরীক্ষার্থী রুহান আহমেদ পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন। অনেক কষ্ট করে ছেলের পড়ালেখার খরচ চালিয়েছি। ছেলেকে নিয়ে আমার অনেক আশা ছিল। আমার এখন আর কিছুই...



