উখিয়া হাজিরপাড়া জামে মসজিদের পাশ থেকে দোছড়ি পর্যন্ত রাস্তার কাজ শুরুর চার মাস পার হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ফলে খালের ওপর গাইড ওয়াল দিতে গিয়ে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়িতে বর্ষায় খালের পানির স্রোতে ভেঙে তলিয়ে গেছে। অন্য দিকে পুরো রাস্তা বর্ষার কাদামাটিতে জনচলাচলে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষ ও যানবাহনের।
হাজিরপাড়া, মগডেপা, খয়রাতি পাড়া ও দোছড়ি গ্রামের ভুক্তভোগী বাসিন্দারা জানান, আমাদের দুঃখ ও ভোগান্তির কারণ এখন এই দোছড়ি রাস্তা। এখানে একটি রাস্তার অভাবে বছরের পর বছর আমরা চরম ভোগান্তির শিকার তো হচ্ছিলামই, বর্তমানে রাস্তা নির্মাণ করতে আসা ঠিকাদারের কাজের ধীর গতিতে এখন আরো ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। এ ভোগান্তির শেষ কবে?
সরেজমিন দেখা যায়, হাজিরপাড়া ও দোছড়ি রাস্তার কিছু অংশে বালু ও খোয়া ফেলে রাখা হয়েছে। দোছড়ি খালে গাইড ওয়াল দিতে গিয়ে রাস্তার মাটি বর্ষার পানির স্রোতে ভেসে গেছে। কর্মরত শ্রমিকরা জানালেন, গাইড ওয়ালের রট কেটে নিয়ে গেছে চোরেরা। এ ব্যাপারে স্থানীয় মেম্বার ছৈয়দ হামজা বলেন, কয়েকটি রট কেটে নিয়ে গেছে। চোরদেরকে চিহ্নিত করা হয়েছে। অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রথম দিকে রাস্তার কাজ সুন্দরভাবেই হচ্ছিল। সম্প্রতি কাজের ধীরগতিতে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। নারী-শিশু ও বৃদ্ধদের চলাফেরায় ভীষণ কষ্ট হচ্ছে। পাহাড়ি ঢালু রাস্তাটি এখন কাদামাটিতে সয়লাব হয়ে আছে। চলাচলের জন্য একেবারেই অযোগ্য।
টমটম চালক হাসান বলেন, যেখানে যেখানে ব্রিজ করা দরকার তা শুরু না করায় এবং পাহাড়ের মাটি কাটায় কাদামাটিতে যান চলাচলের জন্য রাস্তাটি একেবারেই অযোগ্য হয়ে পড়েছে। তাই সবাইকেই এ রাস্তা দিয়ে পায়ে হেঁটে আসা-যাওয়া করতে হচ্ছে। টমটমও চলতে পারে না।
এ ব্যাপারে ঠিকাদার আসাদের মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি তা রিসিভ করননি। উখিয়া প্রকৌশলী অফিসার ফোনে বললেন, আমি এখন বাইরে। পরে আসুন। সড়কটির প্রাক্কলিত নির্মাণ ব্যয় কত, জানতে চাইলে তিনি এ ব্যাপারে পরে কথা বলবেন বলে জানান।
স্থানীয় সচেতন মহল ইতোমধ্যে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ তুলছেন।