সরকার পতনের একদফা দাবিতে গতকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এ আন্দোলনের শুরুর দিন সকাল ১০টার দিকে মহানগরের বন্দরবাজারে কোনো মার্কেট বা দোকান খোলা দেখা যায়নি। এ ছাড়া এ সময় অন্যান্য দিন সড়কে কর্মব্যস্ত মানুষের ছুটে চলা চোখে পড়লেও আজ এমন দৃশ্য ছিল না। সড়কে যানবাহনও ছিল কম।
সিলেটে এই আন্দোলন নিয়ে জনসাধারণের মাঝে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। ২০ দিন ধরে চলা বিক্ষোভ-আন্দোলনে প্রায় অচল হয়ে পড়েছে সিলেট। গত শনিবার পর্যন্ত আন্দোলনে সিলেটের দু’জন মারা গেছেন। একজন সাংবাদিক ও অপরজন বিদ্যুৎ কর্মকর্তা। বিদ্যুৎ কর্মকর্তা হবিগঞ্জে সংঘর্ষের মাঝখানে পড়ে গুলিবিদ্ধি হয়ে মারা গেছেন। এ অবস্থায় অসহযোগ আন্দোলন শুরু হলে সিলেটের খেটে খাওয়া মানুষ আরো বিপদে পড়বেন বলে তাদের মন্তব্য।
সিলেট শাজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ছাত্র আন্দোলনের এক সমন্বয়ক বলেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচি অনুযায়ী অসহযোগ আন্দোলন পালনে আমরা বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিবো। পরে নগরের কোর্ট পয়েন্টে বিক্ষোভ প্রদর্শন করব। জরুরি সেবার যানবাহন ছাড়া অন্য কোনো যানবাহন চলতে দেয়া হবে না। যেকোনো পরিস্থিতির জন্য আমরা প্রস্তুত।
সিলেট জেলা বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ময়নুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের গণপরিবহন শ্রমিকরা পরিস্থিতি দেখে যানবাহন নিয়ে বের হবে। সড়কে বেরিয়ে যদি জীবন হুমকির পড়ে তবে গণপরিবহন বন্ধই রাখতে হবে। আর যদি চলাচলের পরিবেশ থাকে তবে গাড়ি নিয়ে সড়কে বের হবে।’



