বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত রাজু মিয়ার পরিবারের কান্না থামছে না। একমাত্র উপার্জনশীল রাজু মিয়াকে হারিয়ে দিশেহারা পুরো পরিবার। বোন খাদিজা ভাইয়ের শোকে পাগলপ্রায়। দুই বোনের একমাত্র ভাই ছিলেন রাজু। নিহত রাজু (২৮) হালুয়াঘাট উপজেলার পূর্ব গোবরাকুড়া বলমাঠ গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে। বাবা নিজাম পেশায় একজন ঠেলাগাড়ি চালক ছিলেন।
গাজীপুরে একটি হোটেলের কর্মচারী ছিলেন রাজু মিয়া। গত ২০ জুলাই দুপুরে কর্মস্থল থেকে বাসায় যাওয়ার পথে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলির সময় রাজুর বাম হাতে ও মাথার ডান পাশে দু’টি গুলিবিদ্ধ হয়। আহত অবস্থায় গাজীপুর ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর তার মৃত্যু হয়। পরিবারের লোকজন হাসপাতালে ছুটে গেলেও হাত-পা ধরে অনুনয়-বিনয়, শত চেষ্টা করেও লাশটি ফেরত পায়নি।
রাজু স্ত্রী রেহেনাকে নিয়ে গাজীপুরে থাকতেন। রেহানা স্বামীর শোকে দিশেহারা। রাজু নিহত হওয়ার ২০ দিন অতিবাহিত হলেও কেউ খোঁজ নেয়নি বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। মা রাহেলা খাতুন দিনরাত রাজুর লাশের অপেক্ষার প্রহর গুনছেন।