রাজধানীর শনির আখড়া ইটালি খালপাড় এলাকায় দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে স্ত্রী আয়েশা বেগমসহ তিন মেয়ে আর এক ছেলেকে নিয়ে বাস করতেন সিএনজি চালক হাবিব উল্যাহ। দ্বীপ জেলা ভোলার লালমোহন উপজেলার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের চরমোল্লাজী গ্রামের কাদির মৌলভী বাড়ির সফিউল্লাহর ছেলে তিনি। গত ২০ জুলাই যাত্রাবাড়িতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন হাবিব।
নিহতের এই সংবাদ গত ৩ আগস্ট নয়া দিগন্তে ‘দেড় বছরের মেয়েসহ ৪ সন্তানের ভবিষ্যৎ কেড়ে নিলো বুলেট, সহযোগিতা কামনা’ শিরোনামে সংবাদটি প্রথম পাতায় প্রকাশিত হওয়ায় সেটি নজরে পড়ে লালমোহন-তজুমদ্দীন আসনের সাবেক ছয় বারের সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী মেজর অব: হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রমের। তিনি গতকাল বৃহস্পতিবার লালমোহনে নিজ বাসভবনে নিহত হাবিব উল্যাহর স্ত্রী আয়েশা বেগমকে ডেকে আনেন এবং পরিবারটির সার্বিক খোঁজ খবর নেন। এর পর তার হাতে আর্থিক অনুদান তুলে দেন। এ সময় উপজেলার বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।



