ঢাকার দোহার উপজেলার মালিকান্দা স্কুল অ্যান্ড কলেজে এমপিওভুক্ত শিক্ষক (ইসলামিক স্টাডিজ) হিসেবে ২০০৪ সালে যোগদান করেন শামছুল আলম হাওলাদার। পরিবার নিয়ে বেশ ভালোই যাচ্ছিল দিনকাল। হঠাৎ এক ঝড়ে তার জীবনে নেমে আসে অন্ধকার।
জানা যায়, চাকরিকালীন ব্যক্তিগত প্রয়োজনে অগ্রণী ব্যাংক জয়পাড়া শাখার বেতন ফান্ডের অ্যাকাউন্ট থেকে তিন লাখ টাকা লোন দেয় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ওই ব্যাংকের কর্মকর্তা কলেজের আরো চার শিক্ষকের নামে আরো ১২ লাখ টাকা লোন উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন। পরে শামছুল ও ব্যাংকের লোন সেকশনের কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন ও শাখা ব্যবস্থাপক গিয়াস উদ্দিন আহমেদকে আসামি করে দোহার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন কলেজের শিক্ষক বোরহান উদ্দিন আহমেদ।
মামলা চলাকালীন প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজিং কমিটির সদস্য শাহজাহান তার স্ত্রী কাজল আক্তারকে অবৈধভাবে নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ করেন শামছুল আলম। কাজলের ২০১২ সালে ইসলামিক স্টাডিজ শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের বৈধতা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন। সম্প্রতি ভুয়া কাগজপত্র দাখিল করে কাজল কম্পিউটার কাম-অফিস সহকারী পদে যোগদান করেছেন এবং সহকারী অধ্যক্ষ ও অধ্যক্ষকে কাজে লাগিয়ে এ দুই খাত থেকে বেতন উত্তোলন করছে।
শামছুল আলমকে আদালত মামলা থেকে অব্যাহতি দিলেও আজো পাননি সেই বরখাস্তের কপি। শাহজাহান ও তৎকালীন ভাইস প্রিন্সিপাল অজয় কুমার রায়ের অসহযোগিতার কারণে তিনি সেই সময় থেকে আজো কলেজে যোগদান করতে পারেননি।
এ ব্যাপারে শামছুল আলম বলেন, ‘ওই মামলা থেকে আদালত আমাকে আরো ১২ বছর আগেই খালাস দিয়েছে। কিন্তু রাজনৈতিক বৈষম্যের শিকার হয়ে আমি স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভাড়া বাসায় মানবেতর জীবনযাপন করছি। সরকারের কাছে ১২ বছরের সমুদয় পাওয়া টাকা ও চাকরিতে পুনঃবহালের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মাহবুবুর রহমানের মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার বন্ধ পাওয়া যায়।
১২ বছর আগে চাকরিচ্যুত
পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন কলেজশিক্ষকের
ঢাকার দোহার উপজেলার মালিকান্দা স্কুল অ্যান্ড কলেজে এমপিওভুক্ত শিক্ষক (ইসলামিক স্টাডিজ) হিসেবে ২০০৪ সালে যোগদান করেন শামছুল আলম হাওলাদার। পরিবার নিয়ে বেশ ভালোই যাচ্ছিল দিনকাল।...



