কুমিল্লার দেবিদ্বার অংশে গোমতী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ঘরবাড়িতে পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ঘরছেড়ে আত্বীয়-স্বজনের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন মানুষ।
আকস্মিকভাবে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দেবিদ্বার উপজেলার কালিকাপুর, বেগমাবাদ চরবারক (চান্দিনা), বিনাইপার ও রগুরামপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ও বাঁধের ভেতরে থাকা তিন শতাধিক পরিবার অনেকে পানিবন্দী।
বুধবার (২১ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, গোমতী নদীর দেবিদ্বারের বিভিন্ন অংশে কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে সাময়িক মেরামতও করা হয়েছে। টানা বৃষ্টি ও ভারতীয় পাহাড়ি ঢলে গোমতী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এই দুর্যোগের সৃষ্টি হয়েছে।
দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিগার সুলতানা জানান, গোমতীতে পারি বৃদ্ধির সংবাদে গোমতীর বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করেছি। পানিবন্দী মানুষদের জন্য শুকনা খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নদীর পাড়ের মানুষজনকে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছি। বাঁধে ফাটল বা ঝুঁকি আছে এমন পরিস্থিতি দেখলে তা পাউবো কিংবা স্থানীয় প্রশাসনকে জানানোর আহ্বান জানাচ্ছি। কোথাও বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কিনা সে বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামান বলেন, ‘গোমতী নদী রক্ষা বাঁধের যেখানে সমস্যা দেখা দিচ্ছে সেখানে বালুর বস্তা দেয়া হচ্ছে। প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ১২ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এভাবে পানি প্রবাহ ক্রমাগত বাড়তে থাকলে বাঁধের জন্য হুমকির কারণ হতে পারে।



