খাগড়াছড়িতে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে বৃষ্টি না হওয়ায় প্লাবিত এলাকাগুলো থেকে ইতোমধ্যে পানি অনেকটাই কমে গেছে।
শুক্রবার সকাল থেকে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে থাকা লোকজন বাড়ি-ঘরে ফিরতে শুরু করেছে।
তবে শঙ্কায় রয়েছে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি-ঘরের বাসিন্দারা। রয়েছে বিশুদ্ধ পানির অভাবসহ বন্যা পরবর্তী অসহনীয় দুর্ভোগ।
এদিকে বন্যাদুর্গতদের উদ্ধারসহ সার্বিক সহযোগিতায় পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। গত দু’দিনের মতো শুক্রবারও খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানীয় সরবরাহ করছে খাগড়াছড়ি সদর জোন, মহালছড়ি জোন, দিঘীনালা জোন, বাঘাইহাট জোন, লংগদু, মারিশ্যা ও লক্ষ্মীছড়ি জোনের সেনা সদস্যরা। উদ্ধার তৎপরতা এবং ত্রাণ কর্যক্রমে সরাসরি নেতৃত্ব দিচ্ছেন খাগড়াছড়ি রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরীফ মো: আমান হাসান।
এছাড়া খাদ্য সহায়তা নিয়ে বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়ে খাগড়াছড়ি জেলা ও দায়রা জজ আবদুল্লাহ আল মামুন। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার খাগড়াছড়ি শহরের আশপাশের এলাকায় শতাধিক পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেছেন তিনি।
বন্যাদুর্গতদের দুর্ভোগ না কমা পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলমান রাখার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।
জেলা প্রশাসনসহ খাগড়াছড়ির নয় উপজেলা প্রশাসন রয়েছে সক্রিয় অবস্থানে। ৪১২ টন খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে নয় উপজেলা, তিন পৌরসভা ও ৩৮ ইউনিয়নে।
এছাড়াও বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটিসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক রাজনৈতিক সংগঠন সমূহ বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছে। জেলা শহরসহ প্রতিটি উপজেলায় ত্রাণ বিতরণ করেছে জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনগুলো। জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেনের নেতৃত্বে খাগড়াছড়ি সদর, দীঘিনালাসহ জেলার বেশিভাগ উপজেলায় বন্যাদুর্গতদের সহায়তা করা হয়।



