গণ-আন্দোলনের মুখে ফুলবাড়ীর মানুষের সাথে যে ৬ দফা চুক্তি হয়েছিল তার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন না হলেও দেশী এবং বিদেশী মুনাফাভোগী একটি গোষ্ঠী এখনো ফুলবাড়ীর কয়লা নিয়ে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। উন্নয়নের নামে বন, নদী ও পরিবেশ ধ্বংস করে জনবিরোধী, পরিবেশ বিনাশী কোনো প্রকল্প মেনে নেয়া হবে না বলে ফুলবাড়ীর সর্বস্তরের মানুষ দাবি তুলেছেন।
গতকাল সোমবার ফুলবাড়ী শোক দিবসের ১৮তম বর্ষ পালনে ফুলবাড়ী মিছিলের শহরে পরিণত হয়েছিল। বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সরব উপস্থিতি ও নানামুখী কর্মসূচিতে মুখরিত ছিল ফুলবাড়ী শহর। কর্মসূচির মধ্যে ছিল কালো ব্যাচ ধারণ, গণজমায়েত, শোক র্যালি, স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ, আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল ও প্রার্থনা।
বেলা ১১টায় আমিন, সালেকিন ও তরিকুলের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণের পর তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির ফুলবাড়ী শাখার আহ্বায়ক সৈয়দ সাইফুল ইসলাম জুয়েলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি কেন্দ্রীয় সদস্য সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাবলু, বাংলাদেশ ইউনাইটেড কমিউনিষ্ট লীগের কেন্দ্রীয় সম্পাদক মণ্ডলির সদস্য মোশাররফ হোসেন নান্নু, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য মোসাদ্দেক হোসেন লাবু, বাংলাদেশ কমিউনিষ্ট পার্টির জেলা সভাপতি মেহেরুল ইসলাম, উপজেলা শাখা তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব জয় প্রকাশ গুপ্ত, সদস্য হামিদুল হক, সদস্য এম এ আব্দুল কাইয়ুম, সিপিবি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এসএম নুরুজ্জামান জামান, বাংলাদেশ ইউনাইটেড কমিউনিষ্ট লীগ উপজেলা শাখার সম্পাদক সঞ্জিত প্রসাদ জিতু, ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শিকদার প্রমুখ।
ফুলবাড়ী কয়লাখনি বিরোধী আন্দোলনের শোক দিবস পালন
গণ-আন্দোলনের মুখে ফুলবাড়ীর মানুষের সাথে যে ৬ দফা চুক্তি হয়েছিল তার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন না হলেও দেশী এবং বিদেশী মুনাফাভোগী একটি গোষ্ঠী এখনো ফুলবাড়ীর কয়লা নিয়ে...



