কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর চূড়ান্ত বিপদসীমায় পৌঁছে যাওয়ায় কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি কপাট গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে দেড় ফুট করে খুলে দেয়া হয়েছে। এতে প্রতি সেকেন্ডে ৩০ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশিত হচ্ছে। গতকাল কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রে পাঁচটি ইউনিটে ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়েছে। এতে পানি ছাড়া হচ্ছে প্রতি সেকেন্ডে ৩২ হাজার কিউসেক পানি। হ্রদের ১৬টি স্পিলওয়ের ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাঁচটি ইউনিটের জেনারেটর চালিয়ে মোট ৬২ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশিত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্র জানায়, কাপ্তাই হ্রদের পানি ধারণক্ষমতা এখন একেবারেই সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। গতকাল বিকেল ৪টায় হ্রদে রুলকার্ভ অনুযায়ী পানির উচ্চতা থাকার কথা ৯৭.৩৫ এমএসএল। পানির উচ্চতা ১০৮.৮৯ এমএসএল (মিনস সি লেভেল) রেকর্ড করা হয়েছে। যা বিপদসীমার চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। কাপ্তাই হ্রদের পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ এমএসএল। কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক এ টি এম আবদুজ্জাহের বলেন, দেড় ফুট করে গেট খুলে দেয়া হয়েছে। এতে প্রতি সেকেন্ডে পানি নিষ্কাশন হচ্ছে ৩০ হাজার ঘনফুট।
কাপ্তাই বাঁধে প্রতি সেকেন্ডে ৬২ হাজার কিউসেক পানি ছাড়া হচ্ছে
কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর চূড়ান্ত বিপদসীমায় পৌঁছে যাওয়ায় কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি কপাট গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে দেড় ফুট করে খুলে দেয়া হয়েছে। এতে প্রতি...



