পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার ভুল্লি নদীর ওপর স্লুইস গেট নির্মাণের কিছু দিন পর সংযোগ সড়কটি প্রবল বৃষ্টিপাতে বিছিন্ন হয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে সেতুটি নির্মাণ হলেও কোনো কাজে আসছে না। সংযোগ সড়ক ভেঙে পড়ায় সেতুটির দুই পাশের সাকো দিয়ে অতিকষ্টে সাধারণ মানুষ পারাপার হচ্ছেন। কিন্তু কোনো পণ্য পারাপার করতে পারছে না।
পণ্য নিয়ে তাদের অন্যপথে তিন কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে বাজারে যেতে হচ্ছে। সেতুটির সংযোগ সড়ক ভেঙে পড়ায় ছয়টি গ্রামের মানুষ এখন চরম দুর্ভোগের স্বীকার হচ্ছেন।
এই সাঁকোর ওপর দিয়েই প্রতিদিন স্কুল কলেজে ও মাদরাসার শতাধিক শিক্ষার্থী আসা-যাওয়া করে। সড়ক ব্যবস্থা নিরাপদ না থাকায় তাদের অনেকেই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। সংযোগ সড়ক বিছিন্ন হওয়ার পর দুই মাস পার হলেও কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না স্থানীয় প্রশাসন।
এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘ দিনের দাবি ছিল ভুল্লি নদীতে একটি সেতু নির্মাণ করা হোক। পরিশেষে সেতুটি নির্মাণ হয়েছে। কিন্তু সেই সেতুর সুফল পাচ্ছে না স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতু নির্মাণ ও স্লুইস গেট নির্মাণে ঠিকাদার যথাযথভাবে কাজ করেননি। কর্তৃপক্ষের সঠিক তত্ত্বাবধান না নির্মাণকাজ শেষ হওয়ায় পরপরই বর্ষা পানিতে সংযোগ সড়কটি ভেঙে যায়। অনেকে বলছেন, নদীর তুলনায় স্লুইস গেটটি অনেক ছোট। যার কারণে পানির প্রবল চাপ সহ্য করতে না পেরে সড়কটি ভেঙে পড়েছে। ফলে সেতুটি এখন আর কোনো কাজেই আসছে না।
এ প্রসঙ্গে দেবীগঞ্জ উপজেলার প্রকৌশলী শাহরিয়ার ইসলাম শাকিল বলেন, প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে সংযোগ সড়কটি ভেঙে গেছে। আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছি। বরাদ্দ পেলে কাজ করা হবে। তবে অপরিকল্পিত ও নির্মাণ ত্রুটির বিষয়টি যারা নকশা করেছেন, তারাই ভালো জানেন।



