জামায়াতের কেন্দ্রীয় অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, ‘আমরা নতুন একটি বাংলাদেশ বিনির্মাণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তির এক বছর পূর্তি হয়েছে। জুলাই বিপ্লবের পর জনআকাঙ্খার প্রতিফলন হয়নি। ড. ইউনুস শুরু থেকে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার চেষ্টা করছেন। ইতোমধ্যে তিনি নির্বাচনের রোডম্যাপও ঘোষণা করেছেন।’

সোমবার রাত ৯টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর ২ নম্বর গেটের চট্টগ্রাম কনভেনশন হলে চট্টগ্রামস্থ বান্দরবানবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত মিলনমেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় স্কুল-কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক তাওহীদুল ইসলাম আজাদের সভাপতিত্বে এবং সাবেক বান্দরবান জেলা সভাপতি আনোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বান্দরবান জেলা জামায়াতের আমির এস এম আব্দুস সালাম আযাদ ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, ‘অ্যাডভোকেট আবুল কালাম এখন বান্দরবানের সর্বস্তরের মানুষের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে পরিণত হয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘যখনই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক না কেন, জামায়াতে ইসলামী সবসময় প্রস্তুত। জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দেয়া হবে কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে যে নির্বাচনী রোডম্যাপ দেয়া হয়েছে, তার আগে জুলাই সনদকে আইনি কাঠামোয় আনতে হবে। দেশের নাগরিকদের চাহিদা পূরণ করতে হলে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন দিতে হবে। আগে হাসিনার বিচার নিশ্চিত করতে হবে। হাসিনার বিচার ছাড়া নির্বাচন উৎসবমুখর হবে না।’

সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম বলেন, ‘বান্দরবানে জামায়াত অতীতেও নির্বাচন করেছে। প্রতিটি গ্রাম ও গঞ্জে দাঁড়িপাল্লার দাওয়াত পৌঁছাতে হবে। বান্দরবানকে সন্ত্রাসমুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত ও শান্তিপ্রিয় জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। জেলা পরিষদের দায়িত্ব পালনকালে আমি কখনো বৈষম্য করিনি।’

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন- সাবেক ছাত্রনেতা অ্যাডভোকেট আবু নাসের, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রফিক বশরি, বাইশারী ইউনিয়ন সভাপতি মো: সেলিম, মাওলানা আইয়ুব আলী আনসারী, মহসিন কলেজ সভাপতি খুররম আহমেদ, ছাত্রশিবির বান্দরবান জেলা সেক্রেটারি মোস্তাক আহমেদ, ছাত্রশিবির মহানগর দক্ষিণের সাবেক সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ আল মামুন, চট্টগ্রাম বারের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম মোজাহিদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থী মাইন উদ্দিন, চাক সম্প্রদায়ের নেতা জীবন চাক, তাওহীদুল ইসলাম তকি, ইউনুস মিয়া, বান্দরবান ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি আসিফ ইকবাল, ব্যবসায়ী মো: ইউসুফ ও নুরুল আজিজ প্রমুখ।