চকরিয়ায় বেপরোয়া ডাকাতি প্রতিরোধে পুলিশ জনতার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় অবশেষে অস্ত্রসহ ডাকাতদলের পাঁচজন ধরা পড়েছে।

এ দিকে ডাকাত প্রতিরোধে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছে গ্রামবাসী।

মঙ্গলবার রাতে উপজেলার কৈয়ারবিলের খিলছাদেক গ্রামে ডাকাত দল হানা দেয়ার চেষ্টা করলে জনতা প্রতিরোধ করে, একই রাতে ইউনিয়নের ইসলাম নগর গ্রামের পেঁচাপাড়ায় হানা দেয়ার চেষ্টা করে ডাকাত দল। হারবাং ইউনিয়নেও ডাকাতদল হানা দেয়ার চেষ্টা করলে জনতা ধাওয়া করে। গ্রামবামী ও পুলিশ পাহারা দেয়ার কারণে গত দুইদিন ডাকাতি সংঘটিত করতে পারেনি ডাকাতদল। জনতা-পুলিশের ঐক্যবদ্ধ চেষ্টায় গত ২ দিনে অস্ত্রসহ ডাকাত দলের দুর্ধর্ষ ৫ জন সদস্য গ্রেফতার হয়েছে।

গ্ৰামবাসী সুত্র জানায়, মাহে রমজান মাসকে কেন্দ্র করে চকরিয়া উপজেলার সড়ক ও মহাসড়ক ছাড়াও গ্রামে ডাকাতের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়ন, হারবাং ও বরইতলী ইউনিয়নে পৃথক কয়েকটি ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতের গুলিতে এক গৃহকর্তা গুরুতর জখম হন। পরপর ডাকাতির ঘটনায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামবাসীর মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। ডাকাতি প্রতিরোধ করতে চকরিয়া থানার নবাগত ওসি শফিকুল ইসলাম প্রতিটি ইউনিয়নে বিটপুলিশিং সভা করে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে উদ্যোগ নেন। ডাকাতপ্রবন এলাকাগুলোতে তিনি বিটপুলিশিং সভা করেন। একই সাথে অভিযানও অব্যাহত রাখেন তিনি। ফলে ডাকাতি কমলেও গ্রামবাসীর মধ্যে আতংক কাটেনি।

চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম জানান, রমজান মাসকে সামনে বিভিন্ন ইউনিয়নে ডাকাতি ঘটনার খবর এসেছে। ডাকাতি প্রতিরোধ করতে নানামুখি পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে আমরা বিটপুলিশি অভিযান জোরদার করেছি।