ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতের মহাসমাবেশে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলা ও মহানগরের ৭৫ হাজার নেতাকর্মী যোগ দিয়েছেন। শুধু বরিশাল জেলা ও মহানগর থেকেই সাতটি লঞ্চ ও ৬৫টি বা যোগে প্রায় ২০ হাজার নেতাকর্মী ঢাকায় গিয়েছে। এছাড়া ভোলা থেকে ১৮ হাজার, পিরোজপুর জেলা থেকে আট হাজার, ঝালকাঠী থেকে ছয় হাজার, বরগুনা থেকে চার হাজার ও পটুয়াখালি থেকে ১৪ হাজার নেতাকর্মী বাস ও লঞ্চযোগে মহাসমাবেশে যোগ দিয়েছেন বলে বরিশাল জামায়াতের নেতৃবৃন্দ সূত্রে জানা যায়। বরিশাল জেলা ও মহানগর জামায়াতের নেতাকর্মীরা এসব লঞ্চ ও বাসে ঢাকায় সমাবেশে যোগ দিয়েছে।
এর মধ্যে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে চারটি লঞ্চ ও ৬৫টি বাস এবং মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে তিনটি লঞ্চ ভাড়া করা হয়েছে।
বরিশাল মহানগর জামায়াতের আমির ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর বলেন, ‘সমাবেশে যোগ দিতে বরিশাল মহানগর জামায়াতে ইসলামী বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বরিশাল থেকে তিনটি পূর্ণাঙ্গ লঞ্চ ভাড়া করে দলীয় নেতাকর্মীদের ঢাকায় পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই লঞ্চে শুধু মহানগরের ছয় হাজার নেতাকর্মী ঢাকা অভিমুখে যাত্রা করেছে।
বরিশাল জেলা আমির অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল জব্বার বলেন, ‘এটি শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং আমাদের আদর্শিক অবস্থান ও জনসম্পৃক্ততা প্রদর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত নেতাকর্মীদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করতেই আমরা বরিশাল থেকে সম্মিলিতভাবে অংশ নিচ্ছি।’
তিনি আরো বলেন, ‘বরিশাল জেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে বরিশাল থেকে ৪টি পূর্ণাঙ্গ লঞ্চ ও জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৬৫টি বাস ভাড়া করা হয়েছে। এর মধ্যে বড় একটি লঞ্চ বরিশাল নদী বন্দর থেকে ছেড়ে গিয়েছে। এছাড়া অন্য তিনটি লঞ্চ জেলার হিজলা মুলাদী ও মেহেন্দিগঞ্জ থেকে ছেড়ে গিয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীদের ঢাকায় পৌঁছানোর সুবিধার্থে এগুলো ভাড়া করা হয়েছে। এই লঞ্চ ও বাসে জেলা জামায়াতের ১২ হাজার নেতাকর্মী ঢাকা অভিমুখে যাত্রা করেছে।’
ঝালকাঠী জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান জানান, আমরা ঝালকাঠী থেকে বাস ও লঞ্চের মাধ্যমে প্রায় ছয় হাজার নেতাকর্মী ঢাকায় এসেছি।
বরিশাল মহানগর জামায়াতে ইসলামীর প্রচার সম্পাদক আহমেদ বায়জিদ বলেন, জামায়াতের এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে বরিশাল অঞ্চলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা গেছে।






