জন্ম তার ক্যামেরুনের রাজধানী ইয়াউন্ডির রাস্তায়। এরপর তার মা এবং বাবার মধ্যে ছাড়াছাড়ি। পরে মা চলে আসেন ফ্রান্সে। সেখানে মায়ের বিয়ে সুইজারল্যান্ডের এক ব্যক্তির সাথে। সে সূত্র ধরেই সুইজারল্যান্ডে আসা ব্রিল এমবোলোর । সাথে নাগরিকত্ব নেয়াও।। গতকাল বিশ্বকাপে প্রথম গোল এই ফুটবলারের। আর তা নিজ জন্মভূমি ক্যামেরুনের বিপক্ষে। তার করা একমাত্র গোলেই আফ্রিাকন দেশ ক্যামেরুনকে ১-০ গোলে হারিয়ে এবারের বিশ্বকাপ শুরু সুইজদের। এতে ‘জি’ গ্রুপ থেকে নক আউটে যাওয়ার পথে এগিয়ে গেল ইউরোপিয়ান দেশটি। আর হারে শুরু ক্যামেরুনের। ‘এই বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলবে ক্যামেরুন ও মরক্কো’ । ক দিন আগে ক্যামেরুনের স্যামুয়েল ইতোর করা এই মন্তব্য কাল হোঁচটই খেল।
কাতারের আল জানুব স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে এগিয়ে যেতে পারতো ক্যামেরুন। গোল মিসই তাদের গোলউৎসব করতে দেয়নি। এই অর্ধে সুইজারল্যান্ডের চান্স বলতে দুটি হেড উপর দিয়ে যাওয়া। ৪০ মিনিটে এলভেডি এবং ৪৫ মিনিটে আকেনজি বল জালে পাঠাতে ব্যর্থ। ফলে ৪৮ মিনিটে এমবোলোই হয়ে যান ম্যাচের নায়ক। ফ্রান্সের ক্লাব মোনাকোতে খেলেন এমবোলো। সুইজারল্যান্ডের হয়ে তার করা গোল ১২টি। কাল নিজ দেশের বিপক্ষে করলেন বিশ্বকাপের প্রথম গোল।
ক্যামেরুনের পোস্টে নেয়া প্রথম শট থেকেই গোল সুইজারল্যান্ডের। ৪৮ মিনিটে ডান দিক থেকে আসা জারদান শাকিরির ক্যাটব্যাকে বুলেট গতির শটে পা লাগিয়ে বল জালে পাঠান এমবোলো। তবে গোলের পর তেমন উল্লাস করেননি এমবোলো।
ক্যামেরুনকে হতাশ হতে হয়েছে মূলত সুইস গোলরক্ষক সোমারের দৃঢ়তায়। ব্রায়ান এমবিওমো এবং চিপো মটিংয়ের দুটি শট রুখে দেন তিনি। এই গোলরক্ষকের ঠেকানো বল পেয়েও তার বার উচিয়ে মারেন ক্যামেরুনের কার্ল তোকো একাম্বি।
গত বিশ্বকাপেও নক আউট পর্বে খেলেছিল সুইজারল্যান্ড। এবারও সেই মিশনে তারা ৩ পয়েন্ট পেয়ে এগিয়ে। তাদের পরের ম্যাচ ব্রাজিলের সাথে মঙ্গলবার। আর ক্যামেরুন খেলবে সার্বিয়ার বিপক্ষে একই দিন।
১৯৯৭ সালে ক্যামেরুনে জন্ম এমবোলোর। এরপর ফ্রান্স হয়ে সুইজারল্যান্ডে আসা। সেখানে তার ফুটবলে হাতে খড়ি এফসি বাসিলের হয়ে। পরবর্তীতে জার্মান ক্লাব শালকে ০৪ যোগ দেন। ২০১৫ সালে জাতীয় দলে অভিষেক। ২০১৬ ইউরোতে খেলা এই ফুটবলার ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপেও খেলেছেন।
নিজ দেশের বিপক্ষে গোল এমবোলোর
সুইজারল্যান্ড ১-০ ক্যামেরুন
জন্ম তার ক্যামেরুনের রাজধানী ইয়াউন্ডির রাস্তায়। এরপর তার মা এবং বাবার মধ্যে ছাড়াছাড়ি। পরে মা চলে আসেন ফ্রান্সে। সেখানে মায়ের বিয়ে সুইজারল্যান্ডের এক ব্যক্তির সাথে।...



