গতরাতে দেশের মাটিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শেষ করলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এই সিরিজে ৩৯টি ছক্কা মেরেছেন ক্যারিবীয় ব্যাটিং দানব ক্রিস গেইল। ফলে কোন দ্বিপক্ষীয় সিরিজে সর্বোচ্চ ছক্কার বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন তিনি।
দ্বিপক্ষীয় সিরিজে সর্বোচ্চ ছক্কার বিশ্বরেকর্ডটি এতোদিন দখলে রেখেছিলেন ভারতের ওপেনার রোহিত শর্মা। ২০১৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দেশের মাটিতে সাত ম্যাচের সিরিজে ২৩টি ছক্কা মেরেছিলেন রোহিত। ঐ সিরিজের শেষ ম্যাচে ২০৯ রানের দানবীয় ইনিংস খেলেন তিনি। তার ১৫৮ বলের ইনিংসে ১৬টি ছক্কা ছিলো।
ছক্কার বিশ্বরেকর্ড গড়া দ্বিপক্ষীয় সিরিজে, ৪ ইনিংসে ২টি করে সেঞ্চুরি-হাফ সেঞ্চুরিতে ৪২৪ রান করেছেন গেইল। এটিও একটি রেকর্ড। পাঁচ ম্যাচের দ্বিপক্ষীয় সিরিজে সবচেয়ে বেশি রান করার রেকর্ড গড়েন গেইল।
সূত্র : বাসস।
আরো দেখুন: তাণ্ডবের পরও সেরা নন গেইল!
নয়া দিগন্ত অনলাইন; ০৩ মার্চ ২০১৯, ১৩:৪৭
দলের মূল রানের মধ্যে ৭০ শতাংশই তার ব্যাট থেকে এলো, আর ঐ ব্যক্তিগত স্কোরে দলও জিতল হেসে-খেলে। কিন্তু ম্যাচ সেরার পুরস্কার পাননি ঐ ব্যাটসম্যান। এমন ঘটনা ওয়ানডে ক্রিকেট ইতিহাসে গতরাতে ঘটলো দ্বিতীয়বারের মতো।
সেন্ট লুসিয়ায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও শেষ ওয়ানডে জয়ের জন্য ১১৪ রানের টার্গেট পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ওপেনার হিসেবে খেলতে নেমে ২৭ বলে ৭৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন গেইল। ১৯ বলে হাফ-সেঞ্চুরিও করেন তিনি।
গেইলের ব্যাটিং দৃঢ়তায় ২২৭ বল বাকি রেখে ৭ উইকেটে ম্যাচ জিতে সিরিজ সমতায় শেষ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু দলের মূল সংগ্রহের চেয়ে ৭০ শতাংশ রান করেও ম্যাচ সেরা হতে পারেননি গেইল। কারণ বল হাতে ২১ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসার ওসান টমাস।
গেইলের আগে দলের হয়ে ৭০ শতাংশের বেশি রান করেও ম্যাচ সেরা হতে পারেননি নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। ২০১৫ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে পুল ‘এ’ ম্যাচে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয় নিউজিল্যান্ড। ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত ঐ ম্যাচে ইংলিশদের ১২৩ রানে অলআউট করে দেয় নিউজিল্যান্ড। কিউই বোলার টিম সাউদি ৯ ওভারে ৩৩ রানে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন।
এরপর ১২৪ রানের টার্গেট ২২৬ বল বাকি রেখে ম্যাচ জিতে নেয় নিউজিল্যান্ড। ব্যাট হাতে ৮টি চার ও ৭টি ছক্কায় ২৫ বলে ৭৭ রান করেছিলেন ম্যাককালাম। কিন্তু তারপরও ম্যাচ সেরা হতে পারেননি ম্যাককালাম। দলের মূল রানের ৭০ শতাংশের বেশি রান করেছিলেন তিনি। বল হাতে দুর্দান্ত নৈপুন্যের জন্য ম্যাচ সেরা হয়েছেন সাউদি। তাই দলের জয়ের পেছনে অবদান রেখেও ম্যাচ সেরা হতে না পারার দুঃখে ম্যাককালামের সঙ্গী এখন গেইল।






