শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন মাঝি ইন্তেকাল করেছেন। কিডনি ও ডায়াবেটিকসহ নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আজ শুক্রবার বিকাল ৪টায় তিনি ইন্তেকাল করেন। ইন্নাল্লিাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।
আজ মাগরিবের নামাজের পর শাহবাগ জামে মসজিদে প্রথম ও এশার নামাজের পর বাইতুল মোকাররম মসজিদে তাঁর দ্বিতীয় জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার ভেদরগঞ্জ উপজেলার উত্তর তারাবুনিয়া আব্বাস আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বাদ যোহর জানাযা নামাজ শেষে উত্তর তাবুনিয়ায় অবস্থিত পারিবারিক কবরস্থানে আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন মাঝিকে দাফন করা হবে বলে পারিবারিক সূত্র জানায়।
তার মৃত্যুতে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি আলহাজ্ব শফিকুর রহমান কিরণ, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি আলহাজ্ব সরদার এ কে এম নাসির উদ্দিন কালু, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব সাঈদ আহমেদ আসলাম, আব্দুল হামিদ সরদার, ভেদরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও সখিপুর থানা যুবদল সভাপতি মোস্তাক আহমেদ মাসুম বালাসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।
তারা এক শোক বার্তায় বলেন, তার মৃত্যুতে ভেদরগঞ্জবাসী একজন নেতা নয় একজন অভিভাবককে হারিয়েছে। তিনি জনসেবামূলক কাজ করে সারাজীবন কাটিয়েছেন। তিনি আমাদের একজন অভিভাবক ছিলেন। আল্লাহতায়ালা তার জীবনের সকল অপরাধ ক্ষমা করে তাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থান দান করুন এবং তার পরিবারকে ধৈর্য্য ধারণ করার তৌফিক দান করুন।
আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন মাঝি তার জীবদ্দশায় ভেদরগঞ্জ উপজেলার বৃহত্বর তারাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৪ বার এবং উক্ত ইউনিয়নটি বিভক্ত হওয়ার পর উত্তর তারাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ২ বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন।
উপজেলা পরিষদ হওয়ার পর থেকে পর পর ২বার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সর্বশেষ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তৃতীয়বারের মত ভেদরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি শরীয়তপুর জেলা বিএনপির উপদেষ্টা সদস্য ও উত্তর তারাবুনিয়া আব্বাস আলী উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ছিলেন।
এ ছাড়াও তিনি ১৯৭৯ সালে দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর-৩ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে অংশগ্রহন করেন।






