নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ) আসনে বিএনপি দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন সোনারগাঁ থানা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু জাফর। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি। দলীয় মনোনয়ন পেয়েও তার মনোনয়ন জমা না দেয়ার বিষয়টি ছিল বেশ আলোচিত।
জানা গেছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ) আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছিলেন ২০ জন মনোনয়নপ্রত্যাশী। মনোনয়ন ইস্যুতে তাদের মধ্যে বিরোধ দৃশ্যমান ছিল।
২১ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাতকার পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। ওই সাক্ষাৎকার পর্বে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীরা একসঙ্গেই বসা ছিলেন।
২৭ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানের বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে চিঠিতে নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনের মনোনয়ন পত্রের চিঠি পাঠানো হয় প্রত্যাশীদের মধ্যে। সোনারগাঁ আসনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন সোনারগাঁ থানা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু জাফর ও সোনারগাঁ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং সদ্য পদত্যাগকারী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজাহারুল ইসলাম মান্নান। আগামী ৮ ডিসেম্বর সেখান থেকে একজনের হাতে তুলে দেয়া হবে ধানের শীষ প্রতীক।
তবে বুধবার ২৮ নভেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে খন্দকার আবু জাফরকে জেলা কিংবা উপজেলা রিটার্নিং অফিসারদের কার্যালয়ের কোথাও মনোনয়নপত্র দাখিল করতে দেখা যায়নি। আর এ বিষয়টি নিয়ে সোনারগাঁ তথা জেলা জুড়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে বিরূপ সমালোচনার ঝড়।
এ বিষয়ে জানতে খন্দকার আবু জাফরের মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি বলেন, আমি সোনারগাঁ থানা বিএনপির সভাপতি ও জেলা বিএনপির সহসভাপতি। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধাও। আমি পদাধিকার বলে তার থেকে সিনিয়র। আমি কারো ডামি প্রার্থী হতে চাইনা। এছাড়া যে ব্যক্তি পার্লামেন্ট বানান লিখতে পারে না তার ডামি ক্যান্ডিডেট হওয়ার চেয়ে মনোনয়ন দাখিল না করাটাই শ্রেয় বলে মনে করেছি।






