ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনা আক্রান্ত চিকিৎসক রোগী দেখায় সমালোচিত সেই হলিল্যাব হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু কাউছার (৪০) সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

করোনা পরীক্ষায় তার স্ত্রী লিজা (৩১) ও তার শ্যালক ইমরুল হাসান চৌধুরীরসহ (২৩) তার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।

বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা থেকে আসা তাদের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টে তাদের করোনাভাইরাস পজিটিভ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য গত ২৭ জুন ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কুমারশীল মোড়ে অবস্থিত হলি ল্যাব হাসপাতালের চেম্বারে বসে রোগী দেখেন করোনা আক্রান্ত ডা. শ্যামল রঞ্জন দেবনাথ। তিনি হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের অর্থোপেডিকস বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট।

জানা যায়, গত ২৬ জুন দু’দফায় নমুনা পরীক্ষায় ডা. শ্যামল রঞ্জন দেবনাথের করোনা পজিটিভ হলে তাকে আইসোলেশনে থাকার জন্য ছুটিতে পাঠায় হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু আইসোলেশনে না থেকে পর দিন ২৭ জুন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এসে তিনি রোগী দেখেন। ওই দিন তিনি হলি ল্যাব হাসপাতালের চেম্বারে বসে ৩০ জন রোগীকে চিকিৎসাসেবা দেন।

বিষয়টি জানাজানি হলে উপস্থিত রোগীসহ সকলের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এতে ডাক্তার ও বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে শহরজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠে। ফলে উক্ত হাসপালের সাথে সংশ্লিষ্ট অনেকের নমুনা সংগ্রহ করা হয় করোনা পরীক্ষার জন্য।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী সার্জন ডা. শাখাওয়াত হোসেন তানভীর জানান, হলিল্যাব হাসপাতালের মালিক কাউছার গত ২৮ জুন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নমুনা দেন।

অ্যান্টিজেন পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। পর দিন তার স্ত্রী লিজা ও শ্যালক ইমরুল হাসান চৌধুরী নমুনা দেন। তাদেরও অ্যান্টিজেন পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তাদের পিসিআর ল্যাবের রিপোর্টের কথা জানিয়ে আইসোলেশনে থাকতে বলা হয়েছে।