টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার কুড়ালিয়া গ্রামের প্রাক্তন শিক্ষক মো: শহিদুজ্জামানের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে লক্ষাধিক টাকার মাছ মেরে ফেলা হয়েছে।
অভিযোগকারী মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রক্তন সিনিয়র শিক্ষক মো: শহিদুজ্জামান দীর্ঘ ৩২ বছর থেকে সততার সাথে শিক্ষকতা করে বর্তমানে অবসরে আছেন।
তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আমি ৩২ বছরে অনেক শিক্ষার্থীকে শিক্ষার আলো জ্বালিয়েছি কিন্তু আজ আমি নিজেই অন্ধকারে আছি। কয়েকজন আমার জায়গা জমি বেদখলসহ নানাভাবে হয়রানি করে আসছে। বর্তমানে খুবই মানবেতর জীবনযাপন করছি।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, কয়েক দিন আগে পারিবারিক কলহের জেরে তার ভাতিজা আসাদুজ্জামান (আরএস) তার আরেক ভাতিজা আতিকুজ্জামান ওটনের একটি ছাগল বিষ খাওয়ায়ে মেরে ফেলে। আর এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিবাদি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং বাদি আতিকুজ্জামানকে রামদা দিয়ে মাথায় আঘাত করলে বাদি তা হাত দিয়ে প্রতিহত করতে গেলে তার হাতের অনেকাংশ কেটে যায়। এই ঘটনায় মধুপুর থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করা হয় এবং ওই অভিযোগ তুলে নেয়ার জন্য বিবাদি বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছিল। এরই জেরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ মারার ঘটনা ঘটতে পারে এমনটাই ধারনা করছেন এলাকাবাসী।
অভিযোগকারী শহিদুজ্জামান বলেন, পুকুরটি বেশ কিছু দিন আগে তার ভাতিজা আতিকুজ্জামানকে (ওটন) মাছ চাষের জন্য দায়িত্ব দেন। গত ১৯ জুলাই দিবাগত রাতে কে বা কারা পুকুরে মাছ মারার উদ্দেশ্যে বিষ প্রয়োগ করলে পুকুরের সমস্ত মাছ মরে ভেসে ওঠে।






