পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে বাড়ির পাশে পানের বরজে নিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক স্কুলছাত্রী (১১)। ওই স্কুলছাত্রী স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী।
উপজেলার ১ নম্বর ভিটাবাড়ীয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ভিটাবাড়ীয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত ধর্ষক আমির ফরাজীর (৬৫) নামে থানায় মামলা করেছেন ওই ছাত্রীর মা। আমির ফরায়েজী দক্ষিণ ভিটাবাড়ীয়া গ্রামের মৃত হাসেম ফরাজীর ছেলে।
ভূক্তোভোগী শিক্ষার্থীর মা ও প্রতক্ষ্যদর্শীরা বলেন, শিশুটির পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো না। বাবা অসুস্থ্য। স্থানীয় আমির ফরাজী বেশ কয়েক দিন শিশুকে সুপারি আনতে বলে। বিনিময়ে তাদের ১০টাকা করে দেয়ার লোভ দেখায়। গত সোমবার দুপুরে শিশুটি সুপারী নিয়ে আমির ফরাজীর কাছে ১০ টাকা আনতে গেলে শিশুটিকে পানের বরজে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় শিশুটির চিৎকার শুনে প্রতিবেশী এক দম্পতি ছুটে এসে প্রতিবাদ করলে তাদেরকে ধাক্কা দেয় এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে পালিয়ে যায়।
ঘটনাটি জানাজানি হলে ওই লম্পট আমির ফরাজী লোকজন নিয়ে বুধবার দুপুরে ওই ধর্ষিতা শিশুটির বসতবাড়িতে গিয়ে স্থানীয় ভাবে ঘটনাটি শালিস বৈঠকের মাধ্যমে দামাচাপা দেয়ার আয়োজন করেন। এ সময় ওই অসহায় পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা দেবে বলে লোভ দেখায় এবং কাউকে কিছু না বলার জন্য চাপ দেন।
স্থানীয়রা জানান, ঘটনাটি শুনতে পেয়ে স্থানীয় সংবাদকর্মীরা থানা পুলিশকে অবহিত করলে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে ওই শিশুকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। এদিকে অভিযুক্ত ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। পুলিশ আসার টের পেয়ে আমির ফরাজী পালিয়েছে ও স্থানীয় শালিসদাররা চুপসে গেছে।
ভাণ্ডারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মাসুমুর রহমান বিশ্বাস বলেন, শিশুটির মা ধর্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।






