শরীয়তপুরে ব্রিজ ভেঙ্গে খাদে পড়ে নয়ন বেপারী (৩২) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আরো তিন শ্রমিক গুরুতর আহত হয়েছে। আহতদের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

নিহত নয়ন বেপারী শরীয়তপুর পৌরসভার স্বর্ণঘোষ গ্রামের মনির উদ্দিন বেপারীর ছেলে।

আহতরা হলেন, একই এলাকার মজিবর সরদার, তাহের শিকদার ও ছমেদ খা।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে যানা যায়, শরীয়তপুর-নড়িয়া সড়কের কুড়াশী বালাখানায় সড়ক বিভাগের কালভার্ট নির্মাণ কাজ করছেন এমএম বিল্ডার্স নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ওই সড়কটি সচল রাখতে ঠিকাদরি প্রতিষ্ঠান একটি বেইলি ব্রিজ নির্মাণ করে। মঙ্গলবার সকাল সারে ৯টায় পঞ্চগড় থেকে পাথর বোঝাই একটি ট্রাক শরীয়তপুর হয়ে নড়িয়ার যাচ্ছিল। ট্রাকটি ওই সড়কের নির্মানাধীন ব্রিজের ওপর ওঠার সাথে সাথে ব্রিজটি ভেঙ্গে ট্রাকসহ খাদে পড়ে যায়। এ সময় ব্রিজটির নিচে নির্মাণ শ্রমিকরা কাজ করছিল। এতে চারজন নির্মাণ শ্রমিক গুরতর আহত হয়। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আহত শ্রমিকদের শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নয়ন বেপারীকে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী নুর হোসেন দুলাল বলেন, বড় বড় সড়ক গুলিতে ব্রিজ নির্মাণের আগে বিকল্প সড়ক নির্মাণ করে নেয়। এখানেও বিকল্প সড়ক নির্মাণের জন্য বরাদ্দ ছিল। কিন্তু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিকল্প সড়ক নির্মাণ না করায় এ দুর্ঘটনা ঘটছে।

শরীয়তপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ভূই রেদওয়ানুর রহমান বলেন, কালভার্টটি নির্মাণে মূল প্রকল্পে বিকল্প সড়ক নির্মাণে বরাদ্দ ছিল। কিন্তু সংশোধিত প্রস্তাবে ব্রিজ নির্মাণের চুক্তি হয়। আমরা সড়ক আইন অনুসারে ব্রিজের দু’পাশে ১০ টনের অধিক ভারী যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ করে সাইনবোর্ড দিয়েছি। দুর্ঘটনার শিকার ট্রাকটি ৩০ টনের অধিক পাথন নিয়ে ব্রিজে ওঠায় ভেঙ্গে পড়ে। আমরা এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।