নাগরপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার মামুদ নগর ইউনিয়নের সুদামপাড়া গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আব্দুল জব্বার (৭০) নামে এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী চাচাতো ভাই বাদশা মিয়ার বিরুদ্ধে। এসময় আরো চারজন আহত হয়েছেন।
সোমবার (১৯ মে) সকাল ৬টার পরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুল জব্বার সুদামপাড়া গ্রামের মরহুম চান মিয়ার ছেলে।
অভিযুক্ত বাদশা মিয়া উপজেলা বিএনপির তাঁতী, মৎস্যজীবি, উপ-জাতি বিষয়ক সম্পাদক ও মামুদ নগর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: রফিকুল ইসলাম হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সোমবার সকালে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে মো: বাদশা মিয়ার সাথে বিরোধ চলে আসছে চাচাতো ভাই জব্বারের। সম্পত্তির বিষয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। গত ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর বাদশা মিয়া তার সহযোগীদের নিয়ে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে শরিকের সম্পত্তি গ্রাস করার পায়তারা করেন। দলীয় পদ-পদবি থাকায় সে এলাকায় বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। কোর্টে মামলা থাকার কারণে রোববার হাজিরা দিতে যান বাদশা ও তার সহযোগীরা।
হাজিরা শেষে ওই রাতে বাদশা জব্বারের পরিবারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়।
পরে আজ সকাল ৬টার দিকে বাদশা মিয়া তার বাহামভুক্ত দলবলসহ জব্বারের বাড়িতে গিয়ে হামলা করেন।
হামলাকারিরা পিটিয়ে জব্বার মিয়াসহ রবিউল (২১), আজিজ (৩৫), আলী (৫৫) লাল হোসেনকে (৫০) গুরুতর আহত করেন। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্যকপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুল জব্বারকে মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্যকপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা: ফারহানা আফরোজ এ বিষয়ে জানান, জব্বার মিয়াকে হাসপতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সংবাদ পেয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল সদর হাসপালে পাঠানো হয়েছে। মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।’






