নানা জল্পনা-কল্পনার পর অবশেষে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। প্রাথমিকভাবে ২৩০ জনকে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে চিঠি দিয়েছে দলটি। তবে এ তালিকায় বড় ধরনের তেমন চমক নেই।
তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন কয়েকজন হেভিওয়েট কেন্দ্রীয় নেতা। যোগ হয়েছে মাত্র ১৯টি নতুন মুখ। এ ছাড়া প্রার্থী তালিকার বেশির ভাগই বর্তমান এমপি। এর মধ্যে বিতর্কিত এমপি ও তাদের পরিবারের সদস্যরাও রয়েছেন। কোনো কোনো আসনে প্রার্থী হিসেবে রাখা হয়েছে দুইজনকে। আওয়ামী লীগের এই মনোনয়ন নিয়ে দল এবং শরিকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
দলীয় কোন্দলে জড়িত, এলাকায় যোগাযোগ কম থাকা এবং নানা কারণে বিতর্কিতরা এবার মনোনয়ন পাবেন না নীতিনির্ধারকদের মধ্যে সব সময় এমন বক্তব্য থাকলেও তালিকায় তার প্রতিফলন তেমন একটা ঘটেনি বলে অভিযোগ করেছেন দলের নেতাকর্মীরাই। ক্ষমতাসীন দলটির সর্বশেষ কার্যনির্বাহী সভায় ৭০ জন এমপি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল বলে আলোচনা হয়েছিল। ওই সভায় শতাধিক এমপি এবার ‘লাল কার্ড’ পেতে পারেন বলে আওয়ামী লীগের একাধিক দায়িত্বশীল নেতা জানিয়ে ছিলেন। তবে চূড়ান্ত মনোনয়নে দেখা গেছে, পুরনোদের ওপরই আস্থা রেখেছে দলটি। যেসব এমপির বিরুদ্ধে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, হাইব্রিডদের পৃষ্ঠপোষকতা দেয়া, বহিরাগতদের লালন করা এবং আওয়ামী লীগের মধ্যে অনৈক্য সৃষ্টির অভিযোগ ছিল তাদের নাম প্রার্থী তালিকায় দেখে হতাশ হয়েছেন অনেকে।
গতকাল রোববার সকাল ১০টা থেকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে প্রার্থীদের চিঠি দেয়া শুরু হয়।
এবার বাদের খাতায় নাম পড়েছে আওয়ামী লীগের চার হেভিওয়েট নেতার। তারা হলেনÑ দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবীর নানক (ঢাকা-১৩) ও মো: আব্দুর রহমান (ফরিদপুর-১), সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম (মাদারীপুর-৩) এবং বি এম মোজাম্মেল হক (শরীয়তপুর-১), সাবেক ডেপুটি স্পিকার কর্নেল (অব:) শওকত আলী ( শরীয়তপুর-২)।
তাদের আসনে যথাক্রমে মনোনয়ন পেয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, রূপালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও সাবেক সিনিয়র সচিব মঞ্জুর হোসেন বুলবুল, আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, দলটির কেন্দ্রীয় কাযনির্বাহী কমিটির সদস্য মো: ইকবাল হোসেন অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম।
এ ছাড়া প্রার্থী তালিকায় নতুন করে স্থান পেয়েছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা (নড়াইল-২), নূর মোহাম্মদ (কিশোরগঞ্জ-২), ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর (জামালপুর-৫), ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (চট্টগ্রাম-৯), শাহীন আক্তার চৌধুরী (কক্সবাজার-৪), অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (টাঙ্গাইল-৮), মনোয়ার হোসেন মনু (ঢাকা-৫), শ ম রেজাউল করিম (পিরোজপুর-১), ড. এ কে আবদুল মোমেন (সিলেট-১)।
আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জ-৩ ও রংপুর-৬ আসনে এবং দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের নোয়াখালী-৫ আসনে প্রার্থী হবেন।
বিভাগভিত্তিক তালিকা
ঢাকা বিভাগ
শেখ হাসিনা (গোপালগঞ্জ-৩), সালমান এফ রহমান (ঢাকা-১), কামরুল ইসলাম (ঢাকা-২), নসরুল হামিদ বিপু (ঢাকা-৩), মনোয়ার হোসেন মনু ও হাবিবুর রহমান মোল্লা (ঢাকা-৫), হাজী মোহাম্মদ সেলিম (ঢাকা-৭), সাবের হোসেন চৌধুরী (ঢাকা-৯), শেখ ফজলে নূর তাপস (ঢাকা-১০), এ কে এম রহমতুল্লাহ (ঢাকা-১১), আসাদুজ্জামান খান কামাল (ঢাকা-১২), সাদেক খান (ঢাকা-১৩), আসলামুল হক আসলাম (ঢাকা-১৪), কামাল আহমেদ মজুমদার (ঢাকা-১৫), ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ (ঢাকা-১৬), আকবর হোসেন পাঠান ফারুক (ঢাকা-১৭) অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন (ঢাকা-১৮), ডা: এনামুর রহমান (ঢাকা-১৯), নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন (মাদারীপুর-১), শাজাহান খান (মাদারীপুর-২), ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ (মাদারীপুর-৩), গোলাম দস্তগীর গাজী (নারায়ণগঞ্জ-১), নজরুল ইসলাম বাবু, (নারায়ণগঞ্জ-২), এ কে এম শামীম ওসমান (নারায়ণগঞ্জ-৪), কাজী কেরামত আলী (রাজবাড়ী-১), জিল্লুর হাকিম (রাজবাড়ী-২), ড. আবদুর রাজ্জাক (টাঙ্গাইল-১), আতাউর রহমান খান (টাঙ্গাইল-৩), হাসান ইমাম খান (টাঙ্গাইল-৪), ছানোয়ার হোসেন (টাঙ্গাইল-৫), আহসানুল ইসলাম (টাঙ্গাইল-৬), একাব্বর হোসেন (টাঙ্গাইল-৭), অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (টাঙ্গাইল-৮), ইকবাল হোসেন অপু (শরীয়তপুর-১), এ কে এম এনামুল হক শামীম (শরীয়তপুর-২) ও নাহিম রাজ্জাক (শরীয়তপুর-৩), সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ও মশিউর রহমান হুমায়ুন (কিশোরগঞ্জ-১), নূর মোহাম্মদ (কিশোরগঞ্জ-২), রেজওয়ান আহম্মেদ তৌফিক (কিশোরগঞ্জ-৪), আফজাল হোসেন (কিশোরগঞ্জ-৫), নাজমুল হাসান পাপন (কিশোরগঞ্জ-৬), আ ক ম মোজাম্মেল হক (গাজীপুর-১), জাহিদ আহসান রাসেল (গাজীপুর-২), সিমিন হোসেন রিমি (গাজীপুর-৪), মেহের আফরোজ চুমকি (গাজীপুর-৫), লে. কর্নেল (অব:) নজরুল ইসলাম হিরু (নরসিংদী-১), জহিরুল হক ভূঁইয়া ও সিরাজুল ইসলাম মোল্লা (নরসিংদী-৩), অ্যাডভোকেট নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন (নরসিংদী-৪), সাবেক সচিব মঞ্জুরুল ইসলাম (ফরিদপুর-১), ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন (ফরিদপুর-৩), কাজী জাফরউল্লাহ (ফরিদপুর-৪), নাঈমুর রহমান দুর্জয় (মানিকগঞ্জ-১), মমতাজ বেগম (মানিকগঞ্জ-২), কাজী সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি (মুন্সীগঞ্জ-২), মৃণাল কান্তি দাস (মুন্সীগঞ্জ-৩)।
চট্টগ্রাম বিভাগ
ওবায়দুল কাদের (নোয়াখালী-৫), মামুনুর রশীদ কিরণ (নোয়াখালী-৩), একরামুল করিম চৌধুরী (নোয়াখালী-৪), শাহাজাহান কামাল ও গোলাম ফারুক পিংকু (লক্ষ্মীপুর-৩), মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভূঁইয়া (কুমিল্লা-১), সেলিমা আহমেদ মেরী (কুমিল্লা-২), রাজী মো: ফখরুল (কুমিল্লা-৪), অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু (কুমিল্লা-৫), আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার (কুমিল্লা-৬), অধ্যাপক আলী আশরাফ (কুমিল্লা-৭), আ হ ম মুস্তফা কামাল (কুমিল্লা-১০), মুজিবুল হক (কুমিল্লা-১১), মাহফুজুর রহমান মিতা (চট্টগ্রাম-৩), এ বি এম ফজলে করিম (চট্টগ্রাম-৬), ড. হাছান মাহমুদ (চট্টগ্রাম-৭), মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (চট্টগ্রাম-৯), আফসারুল আমীন (চট্টগ্রাম-১০), আবু রেজা মোহাম্মদ নদভী (চট্টগ্রাম-১৫), বীর বাহাদুর (বান্দরবান), কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা (খাগড়াছড়ি)।
রাজশাহী বিভাগ
ওমর ফারুক চৌধুরী (রাজশাহী-১), আয়েন উদ্দিন (রাজশাহী-৩), প্রকৌশলী এনামুল হক (রাজশাহী-৪), শাহরিয়ার আলম (রাজশাহী-৬), শহিদুল ইসলাম বকুল (নাটোর-১), শফিকুল ইসলাম শিমুল (নাটোর-২), জুনাইদ আহমেদ পলক (নাটোর-৩), মো: আব্দুল কুদ্দুস (নাটোর-৪), আবদুল মান্নান (বগুড়া-১), হাবিবুর রহমান (বগুড়া-৫), মোহাম্মদ নাসিম (সিরাজগঞ্জ-১), ডা: হাবিবে মিল্লাত (সিরাজগঞ্জ-২), ড. আব্দুল আজিজ (সিরাজগঞ্জ-৩), তানভীর ইমাম (সিরাজগঞ্জ-৪), আবদুল মজিদ মণ্ডল (সিরাজগঞ্জ-৫), হাসিবুর রহমান স্বপন (সিরাজগঞ্জ-৬), শামসুল হক টুকু (পাবনা-১), আহমেদ ফিরোজ কবির (পাবনা-২), মকবুল হোসেন (পাবনা-৩), শামসুর রহমান শরীফ ডিলু (পাবনা-৪), গোলাম ফারুক প্রিন্স (পাবনা-৫), ফরহাদ হোসেন দোদুল (মেহেরপুর-১), শহীদুজ্জামান খোকন (মেহেরপুর-২), সাধন চন্দ্র মজুমদার (নওগাঁ-১), শহীদুজ্জামান সরকার (নওগাঁ-২), মুহা. ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক (নওগাঁ-৪), ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন (নওগাঁ-৫), ইসরাফিল আলম (নওগাঁ-৬), শামসুল আলম দুদু (জয়পুরহাট-১), আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন (জয়পুরহাট-২) মনোনয়ন পেয়েছেন।
খুলনা বিভাগ
সাইফুজ্জামান শিখর (মাগুরা-১), বীরেন শিকদার (মাগুরা-২), পঞ্চানন বিশ্বাস (খুলনা-১), শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল (খুলনা-২), মন্নুুজান সুফিয়ান (খুলনা-৩), আবদুস সালাম মুর্শেদী (খুলনা-৪), নারায়ণ চন্দ্র চন্দ (খুলনা-৫), আকতারুজ্জামান বাবু (খুলনা-৬), শেখ আফিল উদ্দিন (যশোর-১), মেজর জেনারেল (অব:) নাসির উদ্দিন (যশোর-২), কাজী নাবিল আহমেদ (যশোর-৩), রণজিৎ কুমার রায় (যশোর-৪), স্বপন ভট্টাচার্য (যশোর-৫), ইসমাত আরা সাদেক (যশোর-৬), মাশরাফি বিন মর্তুজা (নড়াইল-২), আ ফ ম রুহুল হক (সাতক্ষীরা-৩), এস এম জগলুল হায়দার (সাতক্ষীরা-৪), সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন (চুয়াডাঙ্গা-১), আলী আজগর টগর (চুয়াডাঙ্গা-২), শেখ হেলাল উদ্দিন (বাগেরহাট-১), শেখ সারহান নাসের তন্ময় (বাগেরহাট-২), হাবিবুন্নাহার (বাগেরহাট-৩), মো: মোজাম্মেল হোসেন (বাগেরহাট-৪), মাহবুবউল আলম হানিফ (কুষ্টিয়া-৩), আবদুর রউফ (কুষ্টিয়া-৪)।
বরিশাল বিভাগ : আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ (বরিশাল-১), তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস (বরিশাল-২), পঙ্কজ দেবনাথ (বরিশাল-৪), জেবুন্নেসা আফরোজ ও লে. কর্নেল (অব:) জাহিদ ফারুক (বরিশাল-৫), আমির হোসেন আমু (ঝালকাঠি-২), ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু (বরগুনা-১), শওকত হাচানুর রহমান রিমন (বরগুনা-২), খন্দকার শামসুল হক (পটুয়াখালী-২), আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন ও শাহজাদা সাজু (পটুয়াখালী-৩), তোফায়েল আহমেদ (ভোলা-১), আলী আজম (ভোলা-২), নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন (ভোলা-৩), আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব (ভোলা-৪), শ ম রেজাউল করিম (পিরোজপুর-১)।
সিলেট বিভাগ
ড. এ কে আবদুল মোমেন (সিলেট-১), মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী কয়েস (সিলেট-৩), ইমরান আহমদ (সিলেট-৪), নূরুল ইসলাম নাহিদ (সিলেট-৬), ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন (সুনামগঞ্জ-১), জয়া সেনগুপ্তা (সুনামগঞ্জ-২), এম এ মান্নান (সুনামগঞ্জ-৩), মুহিবুর রহমান মানিক (সুনামগঞ্জ-৫), ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন (হবিগঞ্জ-৪), শাহাব উদ্দিন (মৌলভীবাজার-১)।
রংপুর বিভাগ
শেখ হাসিনা (রংপুর-৬), আবুল কালাম আহসানুল হক ডিউক চৌধুরী (রংপুর-২), টিপু মুনশি (রংপুর-৪), এইচ এন আশিকুর রহমান (রংপুর-৫), মনোরঞ্জন শীল গোপাল (দিনাজপুর-১), খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (দিনাজপুর-২), ইকবালুর রহিম (দিনাজপুর-৩), আবুল হাসান মাহমুদ আলী (দিনাজপুর-৪), অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার (দিনাজপুর-৫), মাহবুব আরা গিনি (গাইবান্ধা-২), ডা: ইউনুস আলী সরকার (গাইবান্ধা-৩), মো: ফজলে রাব্বী মিয়া (গাইবান্ধা-৫), মজহারুল হক প্রধান (পঞ্চগড়-১), নূরুল ইসলাম সুজন (পঞ্চগড়-২), রমেশচন্দ্র সেন (ঠাকুরগাঁও-১), দবিরুল ইসলাম (ঠাকুরগাঁও-২), আসাদুজ্জামান নূর (নীলফামারী-২), মোতাহার হোসেন (লালমনিরহাট-১), নুরুজ্জামান আহমেদ (লালমনিরহাট-২), জাকির হোসেন (কুড়িগ্রাম-৪)।
ময়মনসিংহ বিভাগ
আবুল কালাম আজাদ (জামালপুর-১), মির্জা আজম (জামালপুর-৩), ডা: মুরাদ হাসান (জামালপুর-৪), রেজাউল করিম হিরা ও ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর (জামালপুর-৫), আতিউর রহমান আতিক (শেরপুর-১), মতিয়া চৌধুরী (শেরপুর-২), এ কে এম ফজলুল হক (শেরপুর-৩), জুয়েল আরেং (ময়মনসিংহ-১), মোসলেম উদ্দীন (ময়মনসিংহ-৬), ফাহমি গোলন্দাজ বাবেল (ময়মনসিংহ-১০), মানু মজুমদার (নেত্রকোনা-১), আশরাফ আলী খান খসরু (নেত্রকোনা-২), অসীম কুমার উকিল (নেত্রকোনা-৩), রেবেকা মমিন (নেত্রকোনা-৪), ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল (নেত্রকোনা-৫)।






