পদ্মা নদীর পানি বুধবার গোয়ালন্দ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এতে উপজেলার নদী তীরবর্তী অধিকাংশ অঞ্চল প্লাবিত হয়ে গেছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে অন্তত ২ হাজার পরিবার। তলিয়ে গেছে গ্রামীণ অনেক রাস্তাঘাট। এতে করে সংশ্লিষ্ট এলাকার লোকজন চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। মাঠ-ঘাট তলিয়ে যাওয়ায় গো-খাদ্যের সঙ্কট দেখা দিয়েছে।

এদিকে বিআইডব্লিউটিসি'র দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যাবস্থাপক জামাল হোসেন জানান, পদ্মা নদীর পানি বিপদৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বুধবার সকালে দৌলতদিয়ার ৪ নং ফেরিঘাটের পন্টুনের সংযোগ সড়কটি ডুবে যায়। এছাড়া তীব্র স্রোতের কারণে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ঘাট এলাকায় আটকা পড়েছে শতশত যানবাহন।

গোয়ালন্দ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু সাইদ মণ্ডল জানান, উপজেলার পদ্মা নদীর তীরবর্তী ৪টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের দেয়া তথ্যানুযায়ী সোমবার পর্যন্ত ১ হাজার ৯৫০টি পরিবার আংশিক পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে দৌলতদিয়া ইউনিয়নে ৮০০, দেবগ্রাম ইউনিয়নে ৬০০, উজানচর ইউনিয়নে ৩০০ এবং ছোটভাকলা ইউনিয়নে ২৫০টি পরিবার রয়েছে। পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে ভুক্তভোগী পরিবারের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাবে। প্রাপ্ত তালিকা সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হয়েছে।