পূর্ণিমার জোয়ার প্রভাবে কুয়াকাটাসহ উপকূলীয় নদ-নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই গত দুই দিন ধরে দুই দফা জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল। বাসা বাড়িতে পানি প্রবেশ করায় ভোগান্তিতে পড়েছে বেড়িবাঁধের বাইরের বসবাসকারীরা।
এ দিকে পূর্ণিমার জোয়ার কারণে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর বেশ উত্তাল রয়েছে। বড় বড় ঢেউ সৈকতে আছড়ে পড়ছে। সাগরের পানির উচ্চতা বেড়ে নির্দিষ্ট স্থান অতিক্রম করায় দুর্ভোগে পড়েছে কুয়াকাটা সৈকতের শত শত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। সৈকত সংলগ্ন মন্দিরে পানি ঢুকে পড়েছে। তবে আগত পর্যটকরা সমুদ্রের ঢেউয়ের সঙ্গে আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠেছেন।
সৈকতে ফিস ফ্রাই ব্যবসায়ী ইসমাইল বলেন, এত বন্যা গেল তাতেও আমাদের এইসব দোকানে পানি উঠেনি। এ বছর প্রচুর পানি বাড়ছে, সৈকতের সব ক্ষুদ্র দোকান পানিতে ডুবে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে।
বিচের শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার নিহার রঞ্জন বলেন, আমি মন্দিরের শুরু থেকে আছি, তবে এতো ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, এমনকি রেমালেও এভাবে পানি বাড়েনি। গতকাল ও আজকে জোয়ারে মন্দিরের মধ্যে পানি ঢুকেছে। এখন যেভাবে দিন দিন পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে সৈকতে মেরিন ড্রাইভ খুবই জরুরি।