দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় শ্যালো ইঞ্জিন চালিত টেম্পোরচালক সুলতান আলম (৪০) নিহত এবং হামিদুল হক নামে এক ব্যক্তি
গুরুতর আহত হয়েছেন। এ সড়ক দুর্ঘটনাটি গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের ভূষিরবন্দর বাজারের অদূরে দশমাইল-সৈয়দপুর মহাসড়কে ঘটেছে। নিহত সুলতান আলম উপজেলার নশরতপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ নশরতপুর গ্রামের দোহলাপাড়ার আব্দুল জব্বারের ছেলে।
জানা গেছে, দিনাজপুর থেকে আল আরাফ নামে একটি যাত্রীবাহী বাস রংপুরের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় ভূষিরবন্দর বাজারের অদূরে দশমাইল-সৈয়দপুর মহাসড়কের ওই স্থানে বাসটি শ্যালো ইঞ্জিন চালিত একটি গরুবাহী টেম্পোকে ধাক্কা দেয়। এতে টেম্পোর চালক সুলতান আলম ও কসাই হামিদুল হক গুরুতর আহত হন। এ সময় স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় রাতেই সুলতান আলম মারা যান।
সাভার (ঢাকা) সংবাদদাতা
সাভারে হেমায়েতপুরের শ্যামপুর বাজারসংলগ্ন দক্ষিণ মেইটকা সেপটিক ট্যাংকের কাজ করা সময় গতকাল শুক্রবার দুই নির্মাণ শ্রমিক মারা গেছেন। নিহতরা হলো সাইফুল (৪০)। তিনি ভোলা জেলার দৌলতখান থানার চরপাতা ইউনিয়নের আবুল কাশেমের ছেলে ও আনিসুল (৩৮) রংপুর জেলার কোতোয়ালি থানার শ্রীরামপুর গ্রামের আবদুর সামাদের ছেলে। তারা উভয় সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়নের মুশুরীখোলা এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় এক প্রবাসীর বাড়িতে সকাল ১০টার দিকে নতুন সেপটিক ট্যাংকের কাজ করতে করতে প্রায় ২৫-৩০ ফিট গভীরে চলে যায়। যার চর্তুদিকে ৩ ফিটের মতো ছড়া ছিল। তাদের কাজ করার এক সময় কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে স্থানীয়রা ট্যানারি ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উভয়কে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্যপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
ট্যানারি ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার তানভীর নয়া দিগন্তকে বলেন, নিহত দুই নির্মাণ শ্রমিকের লাশ পুলিশের মাধ্যমে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।



