রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে ঘোষিত কমিশনে দেশপ্রেমিক সেনাসদস্য, ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি রাখাসহ ৫ দফা দাবি জানানো হয়েছে বিডিআর হত্যাকাণ্ডে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা এ দাবি জানিয়েছেন।
গতকাল রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তাদের পক্ষে দাবিগুলো তুলে ধরেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নির্বাহী কমিটির সদস্য মাহিন সরকার।
তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সংবাদ সম্মেলনে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন গঠনের জন্য পাঁচ দিনের সময় দিয়েছেন, আমরা তাকে এ সময় দেয়ার পক্ষে। তবে যদি এর মধ্যে কমিশন জাতির সামনে প্রকাশ করা না হয়, তাহলে ষষ্ঠ দিন আমরা রাজপথে নামব। তারা যেন তাদের গদি নিয়ে সতর্ক থাকে।

এ সময় ছাত্র প্রতিনিধি রাখাসহ ৫ দফা দাবি পেশ করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এ সমন্বয়ক। ৫ দফা দাবি হলো : ১) কমিশনের মধ্যে দেশপ্রেমিক সিনিয়র অফিসার এবং বিডিআর হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে পূর্বাপর সম্পর্কে অবগত আছেন, এমন ব্যক্তিদের অবশ্যই রাখতে হবে। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের কমিশনের সদস্য হিসেবে বিবেচনায় রাখতে হবে এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে ছাত্র প্রতিনিধি রাখতে হবে। যে কমিশন গঠিত হবে, সে কমিশনকে দ্রুত সময়ের মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে। কারণ ইতোমধ্যে দেশপ্রেমিক অনেক অফিসার নিরপেক্ষ রিপোর্ট তৈরি করেছেন। ২) বিস্ফোরক মামলায় যারা জেলে রয়েছেন, তাদেরকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ন্যায়বিচারের মাধ্যমে মুক্তি দিতে হবে। আগামী শুনানির দিন যেন বাংলাদেশের মানুষের কাছে খুশির সংবাদটি পৌঁছে যায়। ৩) স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং আইন উপদেষ্টার বক্তব্যের দ্বিচারিতার ব্যাখ্যা দিতে হবে। ৪) সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নাম ‘বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ’ থেকে পূর্বতন ‘বাংলাদেশ রাইফেলস’-এ ফেরত নিতে হবে।
৫) যেসব দেশপ্রেমিক অফিসার ও জওয়ানদের লাশ শনাক্ত করা হয়নি, তাদের লাশ শনাক্ত করতে হবে। তাদেরকে যথাযথ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দিতে হবে।