বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তবর্তী দু’জেলার মধ্যে স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে উভয় দেশের জেলা প্রশাসকপর্যায়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভারতের ধুবরী ডিস্ট্রিক ম্যাজিস্ট্রেটের আমন্ত্রণে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী কুড়িগ্রাম জেলার জেলা প্রশাসক মোছাম্মৎ সুলতানা পারভীনের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের প্রতিনিধিদল গত রোববার ভারতের উদ্দেশে রওনা দেয়। গতকাল সোমবার ধুবরী জেলা প্রশাসক কনফারেন্স কক্ষে দিনভর জেলা প্রশাসকপর্যায়ে দু’পক্ষের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মোছাম্মৎ সুলতানা পারভীন জানান, ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী দু’জেলা ধুবরী ও কুড়িগ্রাম জেলাবাসীর মধ্যে রয়েছে সম্প্রীতির অটুট বন্ধন। সীমান্তে ছোটখাটো নানান সমস্যা রয়েছে। আমরা উভয়পক্ষ আলোচনার মাধ্যমে সীমান্তে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক চোরাচালান ও মানুষ হত্যাসহ নানাবিধ সমস্যার ইতিবাচক সমাধান খুঁজব। জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে রয়েছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান বিপিএম, কুড়িগ্রাম ২২ বিজিবির কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জামাল হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোছাম্মৎ জিলুফা সুলতানা, ভুরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এইচ এম মাগফিরুল হাসান আব্বাসী, চর রাজীবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: মেহেদী হাসান, কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: আরিফুল ইসলাম, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক মাসুদ হোসেন, বাংলাদেশ ল্যান্ড পোর্ট অথরিটির সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) মোহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম ভুঁইয়া, ডিপার্টমেন্ট অব ল্যান্ড রেকর্ডস অ্যান্ড সার্ভে, ঢাকার কানুনগো মো: আব্দুল হক।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে জেলা প্রশাসকপর্যায়ে সীমান্তের নানাবিধ সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে এই বৈঠকে একাধিক বিষয় গুরুত্ব পাবে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। এর মধ্যে বর্ডার এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মানুষ হত্যায় জিরো টলারেন্সে নিয়ে আসা, মানব পাচার, মাদক চোরাচালান, সীমানা জটিলতা, ব্যবসা-বাণিজ্য, নদীর নাব্যতা ও নদীর সীমানা নির্ধারণ, পানি সরবরাহসহ আলোচিত ফেলানী হত্যা গুরুত্ব পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।