গত কয়েক দিনের প্রবল বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় সাতকানিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে উপজেলার বেশির ভাগ এলাকার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। শঙ্খ ও ডলু নদীতে পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানিতে তলিয়ে গেছে ফসলের ক্ষেত, মৎস্য খামার ও পুকুর। কেরানীহাট-বান্দরবান সড়ক বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বান্দরবানের সাথে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বন্যার পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে শঙ্খ ও ডলু নদীর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইতোমধ্যে বেশ কিছু ঘরবাড়ি শঙ্খ ও ডলু নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।
সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, সাতকানিয়া উপজেলার কেঁওচিয়া, ছদাহা, ঢেমশা, বাজালিয়া, কালিয়াইশ, ধর্মপুর, পুরানগড়, নলুয়া, পশ্চিম ঢেমশা, এওচিয়া, সোনাকানিয়া, চরতি, কাঞ্চনা ও সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। অনেক এলাকার লোকজন নৌকা নিয়ে যাতায়াত করছে। উপজেলা সদরের সাথে অনেক এলাকার লোকজনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
শঙ্খ নদীর তীরবর্তী আমিলাইশ ইউনিয়নের অনেক ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হয়েছে বলে জানা গেছে। বন্যার পানিতে কেরানীহাট-বান্দরবান সড়কের বাজালিয়ার মাহালিয়া ও বড়দোয়ারাসহ কয়েকটি এলাকায় সড়কের ওপর দিয়ে চার-পাঁচ ফুট উঁচু হয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। গত সোমবার সকাল থেকে কেরানীহাট-বান্দরবান সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
সাতকানিয়া উপজেলার আমিলাইশ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এইচ এম হানিফ জানান, শঙ্খ নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় ইতোমধ্যে তার ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে আবদুস সালাম ও জমির ডাক্তার বউর বাড়ি এলাকার সাত-আটটি বসতবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।



