ডিমলা উপজেলার সীমান্তে তিস্তার চরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত মোহাম্মদ বাবুল মিয়ার (২২) লাশ পাওয়ার আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছে নিহতের পরিবার।
জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোর রাতে তিস্তা নদীর চরে ৭৭২ নং পিলারের কাছে বাবুল মিয়া, সাইফুল ইসলামসহ কয়েকজন বাংলাদেশী ভারতীয় গরু আনতে গিয়ে ভুলক্রমে সীমান্ত অতিক্রম করে। এ সময় ভারতের উড়াল বিওপির বিএসএফ এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই বাবুল মিয়া নিহত হয়। সে উপজেলার কালীগঞ্জ গ্রামের নুর মোহাম্মদের ছেলে। এ ঘটনায় উপজেলার ঝাড়সিংহেশ্বর গ্রামের গোলজার রহমানের ছেলে সাইফুল ইসলাম (১৪) আহত হলে অন্যরা পালিয়ে আসে। বিএসএফ আহত সাইফুলকে আটকসহ নিহত বাবুলের লাশ তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে কোচবিহার জেলার কুচলিবাড়ি থানা পুলিশ মাথাভাঙ্গা হাসপাতালে নিহতের লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করাসহ আহত সাইফুল ইসলামকে মেখলিগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে কারাগারে প্রেরণ করে।
ঘটনার পাঁচ দিন পার হলেও নিহত বাবুল মিয়ার লাশ তার পরিবার ফিরত পায়নি। লাশ ফেরতের আশায় নিহতের পরিবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিজিবির দুয়ারে ঘুরছে।
নিহতের বড় ভাই মোহাম্মদ রাসেল বলেন, ভাইটার লাশ ফিরতের জন্য কেউ সহযোগিতা করছে না। আমরা এখন কোথায় যাবো কার কাছে যাবো। আমাদের লতিফ চেয়ারম্যানসহ পাটগ্রামের পানবাড়ি বিজিবির কাছে গিয়েছিলাম কিন্তু তারা বলছে, আমাদের কিছু করার নেই। সিও স্যার যা করবেন তাই।
তবে পাটগ্রাম উপজেলার পানবাড়ি বিজিবির কোম্পানি কমান্ডার সোহেল রানা বলেন, আমার কাছে কেউ আসেনি। ঘটনার বিষয়ে রংপুর ৫১ বিজিবি দায়িত্বরত কর্মকর্তার সাথে গণমাধ্যম কর্মীরা কথা বলার চেষ্টা করলেও কোনো বক্তব্য পায়নি।
নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকার বলেন, বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশী নিহতের ঘটনাটি শুনেছি। তবে পাঁচ দিনও লাশ পাওয়া যায়নি এটা আমি জানি না।
ডিমলা সীমান্তে নিহত বাবুলের লাশ ৫ দিনেও দেয়নি বিএসএফ
ডিমলা উপজেলার সীমান্তে তিস্তার চরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত মোহাম্মদ বাবুল মিয়ার (২২) লাশ পাওয়ার আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছে নিহতের পরিবার।জানা গেছে, মঙ্গলবার...



