কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবাষিক সম্মেলন বাতিল চেয়ে একাংশের বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধকে কেন্দ্র করে পুলিশের সাথে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া এবং টিয়ার শেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এতে চার পুলিশসহ ১১ জন আহত হন। আহত চার পুলিশ কনস্টেবল রাজারহাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ব্যাপারে কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি বলে রাজারহাট থানার ওসি কৃষ্ণ কুমার সরকার জানান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দু’জন ম্যাজিস্ট্রেট এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন।
গতকাল বিকেলে উপজেলা শহরের রাজারহাট কারিগরি বাণিজ্যিক কলেজ মাঠে আয়োজিত সম্মেলনে মো: শাহের আলীকে সভাপতি এবং আবু নুর মোহাম্মদ আখতারুজ্জামানকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। এতে জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এই কমিটিকে প্রত্যাখ্যান করে শহরের সোনালী ব্যাংক চত্বরে উপজেলা চেয়ারম্যান জাহিদ সোহরাওয়ার্দী বাপ্পি এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আব্দুস সালামের সমর্থকরা প্রতিবাদ জানিয়ে সড়ক অবরোধ করেন। পুলিশ ব্যারিকেট উঠিয়ে দিতে চাইলে এক পর্যায়ে পুলিশের সাথে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে চার পুলিশসহ ১১ জন আহত হন। আহতরা হলেনÑ কনস্টেবল রুবেল, জাহিদ, শফিকুলসহ আরো একজন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দু’জন ম্যাজিস্ট্রেটসহ অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় সাতজন আহত হন বলে রাজারহাট উপজেলা চেয়ারম্যান জাহিদ সোহরাওয়ার্দী বাপ্পি জানিয়েছেন। তিনজন রাজারহাট হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানান।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আহত চার কনস্টেবলকে রাজারহাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।