ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ছাত্রী ধর্ষণের মামলার এক আসামিকে ডিবি পরিচয়ে রাজধানী থেকে তুলে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল দুপুরে মগবাজার এলাকা থেকে নাজমুল হুদা নামের ওই আসামিকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে নয়া দিগন্তকে জানিয়েছেন তার মা মাসুমা বেগম বকুল।
জানা গেছে, নাজমুল হুদা ওই মামলার ৫ নম্বর আসামি এবং ছাত্র অধিকার পরিষদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার সহসভাপতি।
এ ব্যাপারে নাজমুলের মা মাসুমা বেগম বকুল নয়া দিগন্তকে বলেন, গতকাল বেলা ২টা ১০ মিনিটের দিকে মগবাজারের মডার্ন হারবালের অফিস থেকে নাজমুলকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে যায়। চাকরির একটি ইন্টারভিউ দেয়ার জন্য সে ওখানে গিয়েছিল বলে জানান তিনি। বর্তমানে তার কোনো খোঁজ পাচ্ছি না। আমি আমার ছেলের সন্ধান চাই।
এ ব্যাপারে ছাত্র অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রাশেদ খান বলেন, আমার বিষয়টা জানা নেই। তবে এখন ওর পরিবারের সাথে কথা বলে খোঁজ নিচ্ছি। এ ব্যাপারে রমনা থানার ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, আমাদের এমন কোনো বিষয়ে জানা নেই।
গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগ এনে রাজধানীর লালবাগ থানায় মামলা করেন ঢাবির ওই ছাত্রী। এতে পরিষদের অব্যাহতি প্রাপ্ত আহ্বায়ক হাসান আল মামুনকে ১ নম্বর আসামি এবং ডাকসুর সদ্য সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়। পরদিন ওই ছাত্রী রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। দ্বিতীয় মামলায় ১ নম্বর আসামি সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হাসান। দুই মামলাতেই আসামি হিসেবে রয়েছেন পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহসভাপতি নাজমুল হুদা ও কর্মী আবদুল্লাহ হিল বাকি। তবে ১৭ দিন পার হলেও কোনো আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার রাতে ঢাবির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অনশনে বসেন তিনি।