কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান দখলদারদের বাধার মুখে পণ্ড হয়ে গেছে। উচ্চ আদালতের নির্দেশে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার মোক্তারের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে গেলে দখলদাররা ভাড়টিয়া লোকজন নিয়ে বাধা দেয়। এর আগে সকাল থেকে উচ্ছেদ অভিযানের ঘোষণা দিয়ে প্রশাসনের মাইকিং চলে। বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর লোকজন সেখানে অবস্থান নেন; কিন্তু সরকারদলীয় পরিচয়ে লোকজন দলবল নিয়ে এস্কেভেটরের সামনে গিয়ে দাঁড়ায়। এ সময় উচ্ছেদের বিরুদ্ধে স্লোগানও দেয়া হয়। কয়েক ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থার মধ্যে থেকে সন্ধ্যা নেমে আসে। দখলদারদের বাধার মুখে একটি স্থাপনাও উচ্ছেদ করা সম্ভব হয়নি। কক্সবাজার ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক সাংবাদিক ইব্রাহিম খলিল মামুন জানান, ‘আমি স্পটে ছিলাম, বাধার মুখে প্রশাসন একটি অবৈধ স্থাপনাও উচ্ছেদ করতে পারেনি।’ প্রাপ্ত তথ্য মতে, ১ অক্টোবর কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের কলাতলীর সুগন্ধা পয়েন্টে ৫২ জনের স্থাপনা উচ্ছেদে হাইকোর্টের দেয়া রুল ও স্থগিতাদেশ খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ভার্চুয়াল আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন। কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ২০১৮ সালের ১০ এপ্রিল সুগন্ধা পয়েন্টে ৫২ ব্যক্তিকে তাদের স্থাপনা উচ্ছেদের নোটিশ দেয়। পরে জসিম উদ্দিনসহ ৫২ জন একটি রিট আবেদন দায়ের করেন। একই বছরের ১৬ এপ্রিল হাইকোর্ট রুল জারি করে স্থগিতাদেশ দেন। কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো: কামাল হোসেন অভিযান পণ্ড হওয়ার বিষয় অস্বীকার করে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দখলদারদের তাদের মালামাল অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার জন্য সময় দেয়া হয়েছে। যথাসময়ে উচ্ছেদ করা হবে।’
কক্সবাজার সৈকতে উচ্ছেদ অভিযান বাধার মুখে পণ্ড
কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান দখলদারদের বাধার মুখে পণ্ড হয়ে গেছে। উচ্চ আদালতের নির্দেশে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার...



