লক্ষ্মীপুরে মনির হোসেন নামে এক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে ডাকাত দল। এ সময় তার স্ত্রী মিলন বেগমকে কুপিয়ে জখম করা হয়। গতকাল শুক্রবার ভোরে সদর উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের আন্ধারমানিক গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত মিলনকে সকালে উদ্ধার করে প্রথমে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
খবর পেয়ে বেলা পৌনে ১১টার দিকে লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার ড. এ এইচ এম কামরুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মিমতানুর রহমান, সদর মডেল থানার ওসি এ কে এম আজিজুর রহমান মিয়া ও সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোসলেহ উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
নিহত মনির তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ও আন্ধারমানিক গ্রামের আলি আহম্মদ বাসুর ছেলে। ১৫ দিন আগে তিনি ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বলে জানা গেছে। তার এক মেয়ে ও তিন ছেলে রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মনির মাটি ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি বিভিন্ন ইটভাটায় মাটি বিক্রি করতেন। বৃহস্পতিবার এক ইটভাটা মালিক মাটির জন্য তাকে দুই লাখ টাকা দেন। মনিরের নতুন বাসা হওয়ায় বাইরে কলাপসিপল গেট থাকলেও ভেতরের দরজা এখনো লাগানো হয়নি। শুক্রবার ভোরে মই দিয়ে ডাকাত দল বাসার ছাদে ওঠে। ছাদের দরজা না থাকায় তারা বাসায় ঢুকে পরিবারের সদস্যদের বেঁধে ফেলে। একপর্যায়ে মনির ও তার স্ত্রী মিলনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। এ সময় মনিরের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, দুই লাখ টাকা ও ঘরে থাকা স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায় ডাকাত দল। পরে পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে স্থানীয়রা এসে আহতদের উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে নেয়ার পথে মনির মারা যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক আহত মিলনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করে। তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক ইবনে হুছাঈন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম আজিজুর রহমান মিয়া বলেন, পুলিশ সুপারসহ আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ডাকাতি করতে এসেই মনিরকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
লক্ষ্মীপুরে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
লক্ষ্মীপুরে মনির হোসেন নামে এক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে ডাকাত দল। এ সময় তার স্ত্রী মিলন বেগমকে কুপিয়ে জখম করা হয়। গতকাল শুক্রবার ভোরে...



