ঝুড়িভর্তি হরেক রকম পাখি। কিন্তু ‘নেই কোনো কিচির-মিচির শব্দ। নিষ্প্রাণ পাখিগুলো পড়ে আছে ঝুড়ির মধ্যে। একে একে ২৫৬টি পাখি হত্যা করেছে নিষ্ঠুর বিবেকহীন শিকারিরা! গত বৃহস্পতিবার সকালে ঝুড়িভর্তি মৃত পাখিগুলো নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ছাতড়া এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় পাখি শিকারিরা।
স্থানীয়রা জানান, লোহাগড়া বাজারসংলগ্ন ছাতড়া গ্রাম থেকে দেশী জাতের পাখিগুলো গুলতি দিয়ে শিকার করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এরপর ওইগ্রামে পাখির তেমন আর কলকাকলি শোনা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ‘মানব উদ্ধার ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা কার্যক্রম’ এর চেয়ারম্যান সৈয়দ খায়রুল আলম। শিকার করা মৃত পাখিগুলোর মধ্যে রয়েছে-শালিক, চড়ুই, ফিঙ্গেসহ বিভিন্ন প্রজাতির ২৫৬টি পাখি। শিকারিরা পাখিগুলো বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করে আসছেন।
এ ব্যাপারে লোহাগড়া থানার ওসি শেখ আবু হেনা মিলন জানান, মৃত পাখিগুলোকে জব্দ করা হলেও শিকারিরা পালিয়ে গেছে। তাদের চিহ্নিহ্নত করে আটকের চেষ্টা চলছে। পাখিগুলো মাটিচাপা দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া পাখি শিকারের গুলতিসহ সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
কী দোষ ছিল পাখিগুলোর!
ঝুড়িভর্তি হরেক রকম পাখি। কিন্তু ‘নেই কোনো কিচির-মিচির শব্দ। নিষ্প্রাণ পাখিগুলো পড়ে আছে ঝুড়ির মধ্যে। একে একে ২৫৬টি পাখি হত্যা করেছে নিষ্ঠুর বিবেকহীন শিকারিরা! গত...



