সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে এবং দেশের মানুষের সার্বিক নিরাপত্তায় মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশবাহিনী। ধর্মীয় সঠিক শিক্ষা পেলে কখনো কোনো মানুষ গোমরাহির দিকে যেতে পারে না। ধর্মীয় শিক্ষা মানে শুধু আরবি শিক্ষা না, সবাইকে বাংলা, আরবি ও ইংরেজি শিক্ষা দিতে হবে। তাহলে শিশুরা সঠিক শিক্ষা পাবে, তাদের মধ্যে গোমরাহি তৈরি হবে না। পুলিশ যে শুধু আইনশৃঙ্খলার কাজ করে তা-না পুলিশবাহিনী সমাজের মানুষের জন্য মাববিক নানা কাজ করে থাকে এর বড় উদাহরণ হচ্ছে নদীভাঙা মানুষের জন্য আজকের এই কবরস্থান তৈরি করা। এখানে অনেক অর্থশালী লোক রয়েছেন, কিন্তু কেউ এই কাজে এগিয়ে আসেননি। একমাত্র পুলিশের লোকজনই মানবিক কাজে এগিয়ে এসেছে। আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নে লক্ষ্মীপুরে নদীভাঙনে নিঃস্ব হয়ে যাওয়া দুই হাজার পরিবারের জন্য নির্মিত কবরস্থান ও মসজিদের নামফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন।
তিনি বলেন, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর পুনাক সভা নেত্রীর বিষয়টি দৃষ্টি গোচর হয়। মানবিক দিক বিবেচনা করে মেঘনা নদীর ভাঙনের শিকার দুই হাজার পরিবারে জন্য কবরস্থান তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। জেলা পুলিশের মাধ্যমে সাড়ে ২৯ শতাংশ জমি ক্রয় করে সেখানে সীমানা প্রাচীর তুলে কবরস্থান ও মসজিদ নির্মাণ করা হয়। এ ছাড়া গভীর নলকূপ, লাশ ধোয়ার ঘর ও শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে। সবার সহযোগিতায় আগামী দিনে এটি আরো বড় পরিসরে বাড়ানো হবে।
লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার ড. এ এইচ এম কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুনাকের সভানেত্রী জীশান মীর্জা, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো: আনোয়ার হোসেনসহ পুলিশের সদর দফতর এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
প্রসঙ্গত, মেঘনা নদীর অব্যাহত ভাঙনে ভিটে-মাটি হারানো অন্তত দুই হাজার পরিবার এখন রামগতি-লক্ষ্মীপুর সড়কের ওপর বসবাস করছেন। সড়কের পাশে ঘর তুলে বসবাস করতে পারলেও তাদের অন্যান্য মৌলিক চাাহিদা রয়ে গেছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। এতে পরিবারের কোনো সদস্য মারা গেলেই তাকে দাফন করা নিয়ে বিপাকে পড়তে হয় তাদের। নিজস্ব কোনো জায়গা বা কবরস্থান না থাকায় বাধ্য হয়েই যেখানে-সেখানে করতে হয় লাশ দাফন। এ ছাড়া মসজিদ না থাকায় অনেক দূরে গিয়ে অথবা ঘরে আদায় করতে হতো নামাজ। নদীভাঙা এসব মানুষে কথা চিন্তা করে আইজিপির উদ্যোগে জেলা পুলিশ কবরস্থান ও মসজিদ নির্মাণের কাজ বাস্তবায়ন করে।
মানুষের কল্যাণে কাজ করছে পুলিশবাহিনী : আইজিপি
সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে এবং দেশের মানুষের সার্বিক নিরাপত্তায় মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশবাহিনী। ধর্মীয় সঠিক শিক্ষা পেলে কখনো কোনো...



